নজরবন্দি ব্যুরোঃ ড্যামেজ কন্ট্রোল! দিলীপের পর এবার মুকুল-জায়ার খোঁজ নিতে ফোন মোদির, অভিষেকের পরেই পৌঁছেছিলেন দিলীপ, মুকুল জায়াকে দেখতে। গত কয়েকদিন ধরে অসুস্থ থাকলেও একপ্রকার মনে ছিলোনা তাঁর। তবে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় যেতেই সেই রাতেই তড়িঘড়ি ছুটেছিলেন বিজেপির রাজ্যসভাপতি দিলীপ ঘোষ। তবে শেষ এখানেই নয়, ঠিক তার পরেই ফোন করে খবর নিলেন খোদ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।
আরও পড়ুনঃ স্বস্তি দেশে, গত ২৪ ঘণ্টায় সংক্রমণের গ্রাফ কিছুটা উঠলেও কমছে মৃত্যু হার
করোনা আক্রান্ত হয়ে গত ১১ মে থেকেই হাসপাতালে রয়েছেন মুকুল-জায়া। বর্তমানে একমো সাপোর্টে রয়েছেন কৃষ্ণা রায়। করোনা মুক্ত হলে বিপদমুক্ত নন তিনি। হাসপাতাল সূত্রে খবর তাঁর শারীরিক পরিস্থিতি অত্যন্ত সঙ্কটজনক। এই অবস্থায় বুধবার সন্ধ্যায় তাঁকে দেখতে হাসপাতালে উপস্থিত হন অভিষেক। প্রায় আধঘবতা থেকে কথা বলেন শুভ্রাংশুর সঙ্গেও। তার পরেই তড়িঘড়ি করে রাত ৯টা নাগাদ হাসপাতালে পৌঁছান বিজেপির রাজ্য সভাপতি। আর এই আচমকা দিলীপের হাসপাতালে ছোটাকে অনেকেই মনে করছেন ড্যামেজ কন্ট্রোলের চেষ্টা।
ড্যামেজ কন্ট্রোল! তার পরেই আজ বিষ্যুদবারের সকালে বিজেপির সহ-সভাপতি মুকুল রায়ের ফোনে ফোন আসে দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির। সুত্রের খবর মুকুল বাবুর স্ত্রীর শারীরিক অবস্থা জানার জন্যই ফোন করেছিলেন তিনি। বেশ কিছুক্ষণ কথাও হয়েছে উভয়ের।
উল্লেখ্য, মুকুল পুত্র শুভ্রাংশু কদিন আগেই তাঁর বাবা এবং মায়ের অসুস্থতা নিয়েও ক্ষোভ উগরে দিয়েছিলেন। তিনি বলেন, “এই যে মা এতদিন হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। বাবাকে কাচড়াপাড়ায় নিয়ে এলাম। একমাত্র শুভেন্দু দা(শুভেন্দু অধিকারী) ছাড়া দলের কেউ আমাকে বা বাবাকে ফোন করেছেন? হ্যাঁ দিব্যেন্দু দা (দিব্যেন্দু অধিকারী) ফোন করেছিলেন। তিনি তো আমার দলের কেউ না। কিন্তু আমাদের দলের কেউ তো ফোন করেননি!”



