শেষ লগ্নে নাটকীয় মোড়—দ্বিতীয় দফার ভোটে শেষ পর্যন্ত এগিয়ে গেল ভোটদানের হার। বিকেল গড়াতে গড়াতেই প্রথম দফাকে ছাপিয়ে গেল দ্বিতীয় দফা, যা ইঙ্গিত দিচ্ছে প্রবল ভোটার অংশগ্রহণের। সারাদিনের ট্রেন্ড বলছে, গ্রামাঞ্চলে বিশেষ করে ভোটারদের উৎসাহ ছিল চোখে পড়ার মতো।
দুপুর ৩টে পর্যন্ত রাজ্যে ভোটদানের হার পৌঁছেছিল ৭৮.৬৮ শতাংশে, যা প্রথম দফার প্রায় সমান (৭৮.৭৭%)। তবে শেষ বেলায় ভোটের গতি বাড়ায় দ্বিতীয় দফা সেই রেকর্ড ছাড়িয়ে যায় বলে কমিশন সূত্রে জানা যাচ্ছে।
জেলা ভিত্তিক হিসেবে দিনভর শীর্ষে থেকেছে পূর্ব বর্ধমান। এখানেই সবচেয়ে বেশি ভোট পড়েছে, যা দ্বিতীয় দফার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ট্রেন্ড। বিপরীতে সবচেয়ে কম ভোটদানের হার দেখা গিয়েছে কলকাতা দক্ষিণ এলাকায়।
আসনভিত্তিক হিসাবেও নজর কেড়েছে গলসি কেন্দ্র। দুপুর ৩টে পর্যন্ত এখানেই সর্বোচ্চ ৮৫.১১ শতাংশ ভোট পড়ে। অন্যদিকে মহেশতলায় সবচেয়ে কম—৭০.১ শতাংশ। ভবানীপুর-এ দুপুর ৩টে পর্যন্ত ভোটের হার ছিল ৭৫.৬৬ শতাংশ।
তুলনামূলকভাবে দেখা যাচ্ছে, এবারের বিধানসভা ভোটে অংশগ্রহণের হার ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনের তুলনায় অনেকটাই বেশি। সেই সময় দুপুর ৩টে পর্যন্ত ভোট পড়ত ৫৯ থেকে ৭০ শতাংশের মধ্যে।
দ্বিতীয় দফায় বিকেল ৫টা পর্যন্ত ভোটদানের হার ৮৯.৯৯ শতাংশ। বিকেল ৫টা পর্যন্ত রাজ্যে প্রথম দফায় পড়েছিল ৮৯.৯৩ শতাংশ।
সব মিলিয়ে, দ্বিতীয় দফার ভোটে শেষ মুহূর্তের উত্থানই বড় বার্তা—ভোটারদের সক্রিয় অংশগ্রহণ এই নির্বাচনের ফল নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।



