নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় এবার জামিন পেলেন কালীঘাটের কাকু ওরফে সুজয়কৃষ্ণ ভদ্র। এর আগে এই মামলায় একাধিক ব্যক্তির জামিন মঞ্জুর করা হয়েছিল। এবার সেই তালিকায় যুক্ত হলেন কালীঘাটের কাকুও।
ইডি-র (এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট) তদন্তে তাঁর বিরুদ্ধে আর্থিক তছরুপের গুরুতর অভিযোগ উঠেছিল। ইডি মামলায় জামিন পাওয়ার পরও তাঁকে জেল থেকে মুক্তি দেওয়া হচ্ছে না। কারণ সিবিআই (সেন্ট্রাল ব্যুরো অফ ইনভেস্টিগেশন) এই বিষয়ে নতুন করে মামলা দায়ের করেছে। সিবিআইয়ের মামলায় হেফাজতে নিয়ে ফের জিজ্ঞাসাবাদ করার জন্য আদালতে আবেদন করা হয়েছে।
নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় ইডির করা মামলায় অবশেষে জামিন পেলেন সুজয়কৃষ্ণ ভদ্র ওরফে ‘কালীঘাটের কাকু’। শুক্রবার কলকাতা হাই কোর্টের বিচারপতি শুভ্রা ঘোষ তিনটি শর্তে তাঁর জামিন মঞ্জুর করেন। ফলে এবার জেলমুক্তির সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে সুজয়কৃষ্ণের।
ইডি মামলায় জামিন পেলেও, সিবিআইয়ের করা শোন অ্যারেস্টের আবেদন এখনও আদালতে ঝুলে রয়েছে। ফলে এই মুহূর্তে তাঁকে জেল থেকে মুক্তি পাওয়ার প্রক্রিয়ায় কোনো বাধা থাকছে না।
জামিনের শর্তাবলী:
১) মামলার কোনও তথ্য বা প্রমাণ নষ্ট করা যাবে না।
২) সাক্ষীদের প্রভাবিত করা যাবে না।
৩) পাসপোর্ট জমা রাখতে হবে এবং আদালতের অনুমতি ছাড়া পশ্চিমবঙ্গের বাইরে যাওয়া নিষিদ্ধ।
নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় ‘কালীঘাটের কাকু’কে ইডি গ্রেফতার করে এবং তাঁর কণ্ঠস্বরের নমুনা সংগ্রহ করে। তিনি দীর্ঘদিন ধরে প্রেসিডেন্সি জেলে ছিলেন। এরই মধ্যে সিবিআই আদালতে জানিয়েছিল যে, কাকুর কণ্ঠস্বরের নমুনা সংগ্রহ এবং তদন্তের জন্য তাঁকে হেফাজতে নেওয়া জরুরি। তবে, কাকু শারীরিক অসুস্থতার কারণে পরপর চারবার আদালতের হাজিরা এড়িয়ে যান। জেল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, তাঁর চিকিৎসা চলছে এবং আদালতে বারবার মেডিক্যাল রিপোর্ট জমা দেওয়া হয়েছে।
তাঁর এই জামিনের পর সিবিআইয়ের তদন্ত প্রক্রিয়ার অগ্রগতি এবং শোন অ্যারেস্ট নিয়ে কী সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, তা নিয়ে নজর থাকবে।



