দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়ালের হেফাজতে থাকাকালীন গুরুতর স্বাস্থ্যের অবনতি। আটবার ৫০-এর নীচে নেমে গিয়েছে সুগার লেভেল। যে কোনও মুহূর্তে তিনি কোমায় চলে যেতে পারেন অভিযোগ আম আদমি পার্টির। আপের দাবি ‘হত্যার ষড়যন্ত্র’-এর শিকার হচ্ছেন অরবিন্দ কেজরিওয়াল। অপ্রত্যাশিত কিছু ঘটলে দেশ বা ঈশ্বর ক্ষমা করবে না বিজেপিকে জানাল আপ।
দিল্লির লেফটেন্যান্ট গভর্নর বিনয় কুমার সাক্সেনা তিহাড় জেল কর্তৃপক্ষকে কেজরিওয়ালের স্বাস্থ্যের উপর নজর রাখার নির্দেশ জারি করতে বলে মুখ্য সচিবকে একটি চিঠি লেখেন। এরপর সেই নির্দেশের পরিপ্রেক্ষিতেই এরূপ অভিযোগ জানিয়েছে আম আদমি পার্টি। যদিও লেফটেন্যান্ট গভর্নরের অভিযোগ ছিল, দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী ইচ্ছাকৃতভাবে তাঁর ইনসুলিনের ডোজ নিচ্ছেন না। ফলে এ বিষয়ে জেল কর্তৃপক্ষকে তাঁর ওপর মনিটরিংয়ের নির্দেশ দেন এল জি সাক্সেনা।

এদিন আম আদমি পার্টির রাজ্যসভা সাংসদ সঞ্জয় সিং দিল্লির এল জি সাক্সেনার চিঠির বয়ানের সমালোচনা করে বলেন, রাতে কোনও ব্যক্তি নিজের সুগার লেভেল নিজে নিজে কমিয়ে ফেলতে পারেননা, এই ধরনের কথা নিছক মজা ছাড়া আর কিছুই নয়। রোগটি সম্পর্কে কিছু না জেনে এরকম লেখাটা ঠিক নয়। এদিকে, BJP-র বিরুদ্ধে কেজরিওয়ালকে হত্যার ষড়যন্ত্রের অভিযোগ তুলছে আম আদমি পার্টির নেতৃত্বরা।
কেজরিওয়ালকে হত্যার ষড়যন্ত্র! আপের নিশানায় বিজেপি

দিল্লির মন্ত্রী তথা আপ নেত্রী অতিশি এ বিষয়ে এক্স হ্যান্ডেলে লেখেন “যদি কেজরিওয়ালের স্ট্রোক হয়, যদি মস্তিষ্কের ক্ষতি হয় এবং স্থায়ী ক্ষতি হয় তবে তার দায় কার? পাশাপাশি তার দাবি “রিপোর্ট অনুসারে, 1 এপ্রিল যেদিন অরবিন্দ কেজরিওয়াল গ্রেফতার হয় তখন তার ওজন ছিল ৭০ কেজি। এটি কিছুটা ওঠানামা করে, ৮ থেকে ২৯ এপ্রিলের মধ্যে ৬৬ কেজিতে পৌঁছে এবং তারপর ২১ সালের পর ২ জুন কারাগারে ফিরে আসার সময় এটি ৬৩.৫ কেজিতে নেমে আসে। ১৪ জুলাই পর্যন্ত, তার ওজন ৬১.৫ কেজি ওজন রেকর্ড করা হয়েছিল। এই দ্রুত ওজনের তারতম্য ভয়ংকর রোগের দিকেই ইঙ্গিত দেয়।” এরপর বিজেপির বিরুদ্ধে কড়া ভাষায় আক্রমণ করে তিনি লেখেন,” অরবিন্দ কেজরিওয়ালের অপ্রত্যাশিত কিছু ঘটলে দেশ বা ঈশ্বর ক্ষমা করবে না বিজেপিকে।”



