শনিবার কালীঘাটের বাড়িতে লোকসভার ৪২ জন তৃণমূল প্রার্থীকে নিয়ে বৈঠকে বসলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। উপস্থিত ছিলেন তৃণমূলের একাধিক শীর্ষ নেতৃত্বও। বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন জোড়াফুল সুপ্রিমো। সেখানে তিনি ফের একবার নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বাধীন এনডিএ সরকার গঠনের সমালোচনা করলেন।
আরও পড়ুন: দিশা দেখাতে পারলেন ক্যাপ্টেন? মীনাক্ষীর বুথে CPIM পেল সর্বসাকুল্যে ৪৬ ভোট!
এবারের লোকসভায় বিজেপির বিপর্যয় স্পষ্ট। ৪০০ আসনের লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে ময়দানে নেমে এনডিএ-এর রথ থেমে গেল মাত্র ২৯২ আসনে। একক সংখ্যাগরিষ্ঠিতাও পেল না বিজেপি। তাঁদের প্রাপ্ত আসন সংখ্যা ২৪০। অন্যদিকে, রাহুল গান্ধীর নেতৃত্বে কামব্যাক করল কংগ্রেস।

সামগ্রিকভাবে ইন্ডিয়া জোট পেল ২৩২টি আসন। একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা না পেয়ে এখন দিল্লিতে সরকার গড়তে দুই শরিকের ওপর ভরসা করতে হচ্ছে নরেন্দ্র মোদীকে। একজন, অন্ধ্রপ্রদেশের তেলেগু দশম পার্টির প্রধান চন্দ্রবাবু নায়ডু এবং অন্যজন বিহারের জনতা দলের সুপ্রিমো তথা সে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমার।

অন্যদিকে, বাংলায় এবার তৃণমূলের জয়জয়কার। ২৯টি আসন পেয়েছে তাঁরা। বিজেপি ১৮ থেকে নেমে এসেছে ১২-তে। এদিন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “আমরা ২৯ না, ৩৫ আসনে জিতেছি। নির্বাচন কমিশন বাকি আসনগুলোতে লুঠ করে নিয়েছে। দেশ পরিবর্তন চেয়েছিল। বিজেপিকে চায়নি। অগণতান্ত্রিকভাবে সরকার গড়তে চাইছেন মোদীবাবু! তাঁর উচিৎ অন্য কাউকে ছেড়ে দেওয়া।”
দেশ বিজেপিকে চায়নি, অগণতান্ত্রিকভাবে সরকার গড়ছেন মোদীবাবু! সাফ কথা মমতার

সঙ্গে তিনি আরও বলেন, “আমাদের সাংসদরা পার্লামেন্টে গিয়ে চুপ করে বসে থাকবে না। তাঁরা প্রতিবাদ জানাবে। রাজ্যের ন্যায্য পাওনা আদায় করবে। বিজেপিও আর চাইলেই যে কোনও বিল পাশ করতে পারবে না। আমরা এনআরসি বাতিলের দাবি জানাচ্ছি। বিজেপি আসলে ২০০ আসন পায়নি। বাকিগুলো জোর করে জিতেছে।”



