শীর্ষ আদালতে স্বস্তি আদানি গোষ্ঠীর (ADANI)। হিন্ডেনবার্গ মামলায় সিট (SIT) তদন্তের নির্দেশ দিলনা সুপ্রিম কোর্ট (SUPREME COURT)। সেবি এই মামলার তদন্ত করবেন। প্রধান বিচারপতি ডি.ওয়াই চন্দ্রচূড়ের ( D.Y.Chandrachud) বেঞ্চের তরফে জানানো হয়, আদানি – হিন্দেনবার্গ মামলায় সেবির তদন্তে হস্তক্ষেপ করবে না আদালত।
The Hon’ble Supreme Court’s judgement shows that:
Truth has prevailed.
Satyameva Jayate.I am grateful to those who stood by us.
সদ্য প্রকাশিত
রেখার সঙ্গে সম্পর্কের প্রশ্নে অমিতাভের সাফ জবাব, কী বলেছিলেন বিগ বি?
মধু খাঁটি কি না বুঝবেন কীভাবে? ঘরে থাকা জিনিসে মিলবে প্রাথমিক ধারণা, জানুন আসল পরীক্ষাOur humble contribution to India’s growth story will continue.
Jai Hind.
— Gautam Adani (@gautam_adani) January 3, 2024
আরও পড়ুন: কামদুনির আবেদনে সাড়া দিল না সুপ্রিম কোর্ট, অমিত শাহর সঙ্গে দেখা করতে চায় মৃতার পরিবার
নিয়ামক সংস্থাই আদানি গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে গড়ে ওঠা শেয়ারে কারচুপির অভিযোগ খতিয়ে দেখবে। তিন মাসের মধ্যে তদন্ত শেষ কোর্টে হবে। সুপ্রিম কোর্টের রায়ের পর গৌতম আদানি লেখেন,” সত্যের জয় হল। সত্যমেব জয়তে। যারা আমাদের পাশে দাঁড়িয়েছিলেন, তাঁদের প্রতি কৃতজ্ঞ।” গত বছর জানুয়ারীতে মার্কিন শর্টসেলার সংস্থা দাবি করেন,

নিজেদের ফায়দার জন্য নানাভাবে ভারতের বাজার প্রভাবিত করছে আদানিরা। শেয়ার চুরির এই মামলায় সিট তদন্তের দাবি করে সুপ্রিম কোর্টে মামলা করেন আইনজীবী বিশাল তিওয়ারি, এমএল শর্মা এবং কংগ্রেস নেত্রী জয়া ঠাকুর ও অনামিকা জয়সওয়াল। ২৪ শে নভেম্বর এই মামলার শুনানি শেষ হয়। রায় ঘোষণা সংরক্ষিত ছিল।

‘সিট’ নয় ‘সেবি’- তেই ভরসা সুপ্রিম কোর্টের।
বুধবার সুপ্রিম কোর্টের তরফে জানানো হয়, এই মামলায় শুধুমাত্র জর্জ সোরেসের হিন্দেনবার্গ রিপোর্টের ওপর ভিত্তি করে সেবির তদন্তকে প্রশ্নের মুখে ফেলে তদন্ত সিটের হাতে তুলে দেওয়ার মত কোনো যথাযোগ্য প্রমাণ নেই। মোদী – আদানি আঁতাতের অভিযোগ তুলে দেশজুড়ে বিক্ষোভ শুরু করেছিল বিরোধীরা। শুরু হয়েছিল রাজনীতিও। সেই প্রেক্ষিতে দায়ের হয়েছিল জনস্বার্থ মামলা।



