নজরবন্দি ব্যুরোঃ মঙ্গলবার রাতে দিল্লির কৃষিভবন থেকে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় সহ তৃণমূল নেতাদের আটক করে দিল্লি পুলিশ। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী নিরঞ্জন জ্যোতি দেখা করতেও অস্বীকার করেন রাজ্যের শাসক দলের নেতাদের সঙ্গে। দিল্লি পুলিশের বিরুদ্ধে হেফাজতের অভিযোগ তুলে বুধবার কলকাতায় ‘রাজভবন চলো’ অভিযানের ডাক দিয়েছেন অভিষেক।
আরও পড়ুনঃ মেঘভাঙা বৃষ্টিতে বিপর্যস্ত সিকিম, তিস্তার জলস্তর বেড়ে যাওয়ায় জারি হাই অ্যালার্ট
কেন্দ্রেই বিরুদ্ধে বঞ্চনার অভিযোগে বিগত দু’দিন দিল্লিতে ধরনা কর্মসূচি পালন করেছে তৃণমূল। কিন্তু কর্মসূচির শেষ দিন ধুন্ধুমার পরিস্থিতি তৈরি হয় দিল্লির কৃষি ভবনে। কারণ, কেন্দ্রীয় মন্ত্রী দেখাআ করতে অস্বীকার করলেও তৃণমূল নেতারা জায়গা ছেড়ে বেরোতে চাননি। কৃষি ভবনেই তাঁরা অবস্থান বিক্ষোভ চালাতে থাকেন।

এরপর রাত ১০টারও পর অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় এবং অন্যান্য নেতাদের টেনে হিঁচড়ে বের করে প্রিজন ভ্যানে তোলে দিল্লি পুলিশ। ক্ষোভে ফেটে পড়েন অভিষেক। সেই রাতেই বাংলার একাধিক জায়গায় মিছিল বেরোয় তৃণমূলের। এবার আজ রাজভবন ঘেরাও-এর ডাক দিলেন তৃণমূলের সেকেন্ড-ইন-কম্যান্ড।

মঙ্গলবার রাতে দিল্লি পুলিশের হাত থেকে ছাড়া পেয়ে অভিষেক বলেন, ‘‘কেন্দ্রীয় মন্ত্রী আমাদের সঙ্গে দেখা না করে পিছনের দরজা দিয়ে পালিয়ে গেছে। রাজ্যপাল তো কেন্দ্রের প্রতিনিধি। আমরা তাই তাঁর সঙ্গে দেখা করে বাংলার বঞ্চিত মানুষের কথা জানাব। যে ৫০ লক্ষ চিঠি আমরা দিল্লিতে নিয়ে এসেছিলাম, কেন্দ্রীয় মন্ত্রী তা নেননি। তাই সেই চিঠিগুলি আমরা রাজ্যপালকে দেব।’’
১ লক্ষ লোক নিয়ে রাজভবন অভিযান তৃণমূলের, দিল্লি থেকে নির্দেশ অভিষেকের
তৃণমূল সূত্রে খবর, ইতিমধ্যেই জেলা থেকে কর্মী সমর্থকেরা কলকাতার উদ্দেশ্যে রওনা দিয়েছেন। দ্দিল্লি থেকে নেতারা চলে আসবেন। কিন্তু বাসে করে যাওয়া কর্মীদের পক্ষে আজকের মধ্যে ফেরা সম্ভব নয়। তাই বাংলার কর্মী সমর্থকদের একজোট করার পরিকল্পনা করছে শাসক দল। তবে, উত্তরবঙ্গের কিছু জেলায় বন্যা পরিস্থিতি তৈরি হওয়ায় তাঁরা আজকের কর্মসূচিতে যোগ দিতে পারবেন না।




