নজরবন্দি ব্যুরো: শহরে একের পর এক দুর্নীতি! বাদ যায়নি কলকাতা পুরসভাও। পুরসভা পরিচালিত সরকারি স্কুলগুলিতে শৌচাগার সংস্কারে বড়সড় দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছিল। আর সেই অভিযোগ সামনে আসতেই কলকাতা পুর কর্তৃপক্ষ সিনিয়র এডুকেশন অফিসার-সহ দুই অবসরপ্রাপ্ত আধিকারিককে দুর্নীতির তদন্তের নির্দেশ দেন। আর এবার ৬ বছর আগের ওঠা দুর্নীতির ঘটনায় বিস্তারিত জানতে চেয়ে পুর শিক্ষা বিভাগের তৎকালীন চিফ ম্যানেজারকে চিঠি পাঠানো হল।
আরও পড়ুন: নয়াদিল্লি থেকে নিজেদের কূটনীতিককে সরাতে হবে কানাডাকে, ভারতের সিদ্ধান্তে সম্পর্কে তিক্ততা আরও বাড়ল!
পুরসভা সূত্রে খবর, ২০১৭ থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত শিক্ষা বিভাগের চিফ ম্যানেজার পদে ছিলেন পরমেশ্বর সাউ। তবে তারপরেই তিনি অবসর নিয়েছেন। আর এবার তাঁকেই দুর্নীতি মামলায় পুরসভার পক্ষ থেকে চিঠি পাঠানো হয়েছে। কিন্তু পুরসভা তাঁকে চিঠি দিলেও পরমেশ্বর এখনও তার উত্তর দেননি। এই প্রসঙ্গে তাঁকে বারংবার ফোন করা হলেও কাজে ব্যস্ত আছেন বলে এড়িয়ে যান তিনি।

সূত্রে মারফত জানা যাচ্ছে, ২০১৭ থেকে ২০২০ সাল অর্থাৎ এই ৩ বছরের মধ্যে বিভিন্ন পুর বিদ্যালয়ে ৬৩টি শৌচাগার সংস্কার বাবদ প্রতিটির জন্য প্রায় ৬০ হাজার টাকা খরচ করা হয়েছিল। কিন্তু নিয়ম মত সেই শৌচাগার সংস্কার বাবদ টাকা স্কুলের উন্নয়ন কমিটির ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে ঢোকার কথা। যেহেতু শৌচাগার সংস্কারের কাজে নজরদারি করে ওই কমিটিই। কিন্তু অভিযোগ উঠেছে যে, শৌচাগার সংস্কার বাবদ ওই ৬০ হাজার টাকা ঠিকাদারদের হাতে দেওয়া হয়। শুধু তাই নয়, কোনও ঠিকাদারের নামে ১৩টি, কারও নামে ন’টি, কারও নামে আবার চারটি শৌচাগার সংস্কারের বিল দেখানো হয়।

এখানেই শেষ নয়, বিদ্যালয়ের ভুয়ো প্যাড বানিয়ে তাতে সই জাল করে শৌচাগার তৈরির কমপ্লিশন সার্টিফিকেটও (সিসি) দেওয়া হয়েছিল। এরপরেই পুরো ঘটনাটি সামনে আসতেই তদন্তের নির্দেশ দেন মেয়র ফিরহাদ হাকিম। তিনি জানান, পুরসভায় হওয়া কোনও দুর্নীতিকে প্রশ্রয় দেওয়া যাবে না। দোষ যেই করুক না কেন, প্রমাণিত হলে অভিযুক্ত কর্মী-আধিকারিককে কঠোর শাস্তি দেওয়া হবে।’’
পুর শিক্ষা বিভাগে দুর্নীতির অভিযোগ, চিঠি তৎকালীন চিফ ম্যানেজারকে




