নজরবন্দি ব্যুরো: কমিশন কিংবা সরকার চায়নি কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়ে ভোট হোক, এমনই বিস্ফোরক দাবি রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারির। বৃহস্পতিবার কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়ে পঞ্চায়েত নির্বাচনের নির্দেশের পরই ‘রণংদেহী’ শুভেন্দু অধিকারী। কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়ে ভোট-সহ আদালতের বিভিন্ন নির্দেশকে স্বাগত জানিয়েছেন শুভেন্দু।
আরও পড়ুন:মনোনয়নের শেষেও ফের উত্তপ্ত মুর্শিদাবাদ! গুলিবিদ্ধ কংগ্রেস প্রার্থীর বাবা
‘রাজ্যের সমস্ত জেলায় কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করতে হবে’ এই নির্দেশের পরেই সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। শুভেন্দু বলেন, ‘আদালত আমার আবেদনের অনেকগুলি বিষয়ই মান্যতা দিয়েছে। আমরা আশাবাদী গণতন্ত্র রক্ষায় এবং হিংসা রুখতে কেন্দ্রীয় বাহিনী সঠিক কাজ করবে।’ ভোট ঘোষণার অনেক আগে থেকেই বিরোধীরা কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়ে ভোটের দাবি জানিয়ে আসছিল। শেষমেষ বৃহস্পতিবার কার্যত রাজ্য নির্বাচন কমিশনকে ভৎসনা করে।

গতকাল বিরোধী দলনেতার বিস্ফোরক দাবি, ‘কমিশন কিংবা সরকার চায়নি কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়ে ভোট হোক। আদালতের নির্দেশে পঞ্চায়েত ভোটে কাজ করবে বাহিনী। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার, কমিশন, জেলাশাসক বা অন্য কারও নিয়ন্ত্রণে থাকবে না বাহিনীর জওয়ানরা। তাঁরা কাজ করবে তাঁদের কমান্ডেন্টদের নির্দেশে’।

তিনি আরও বলেন, ‘মনে রাখবেন দেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর নাম অমিত শাহ। অবাধ ও শান্তিপূর্ণ ভোট করানোর বিষয়ে আমরা যেখানে যেখানে আবেদন করা বা দাবি জানানোর, তা করব। আমরা চাই না রাজ্যে আর একটিও প্রাণহানির ঘটনা ঘটুক। যেখানেই মানুষ আক্রান্ত হবে, বাধা পাবে নিজেদের অধিকার রক্ষায় প্রয়োজনে দ্বারস্থ হবে বাহিনীর ক্যাম্পে। আধা সামরিক বাহিনীর উচিত সমস্ত রাজনৈতিক দলগুলির পাশাপাশি মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার রক্ষা করা। এটা বাহিনীর দায়িত্ব’।
কমিশন কিংবা সরকার চায়নি কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়ে ভোট হোক, বিস্ফোরক দাবি শুভেন্দুর

শুভেন্দু অধিকারী কার্যত হুঁশিয়ারি ও চ্যালেঞ্জের সুরে বলেন,’ গণতন্ত্র রক্ষা এবং শাসকদলের ভোট লুট আটকাতে বিজেপি এক ইঞ্চি জমি ছাড়বে না। আর যেখানে যেখানে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে বিজেপি প্রার্থীদের, শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস মনোনয়ন পত্র জমা দিতে দেয়নি, সেখানে সেখানে ২০২৪-র লোকসভা ভোটে প্রতিটি বুথে বুথে তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থীরা ৫০০ করে ভোটে পরাজিত হবে।’ কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চের নির্দেশে রাজ্যের প্রধান বিরোধী দল বিজেপি এবং অন্যান্য বিরোধী শিবিরের দাবি পূরণ হল বলেই মত রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের একাংশের।



