নজরবন্দি ব্যুরোঃ আগামী ১৯শে মে রিজার্ভ ব্যাঙ্কের তরফ থেকে বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছিল বাজার থেকে ২০০০ টাকার নোট তুলে দেওয়া হবে। সাধারণ মানুষকে জানানো হয়েছিল আগামী ৩০শে সেপ্টেম্বরের মধ্যে সেগুলো যেন ব্যাংক থেকে বদল কিংবা অ্যাকাউন্টে জমা দিয়ে দেওয়া হয়। ইতিমধ্যে খবর এসেছে বাজারে যত পরিমান ২০০০ টাকার নোট ছিল তার মধ্যে ৫০ শতাংশ ফেরত চলে এসেছে।
আরও পড়ুনঃ বিগ বস ওটিটি ২র সর্বাধিক পারিশ্রমিক অঞ্জলির, বাকি প্রতিযোগীদের পারিশ্রমিক কত?
রিজার্ভ ব্যাঙ্কের গভর্নর শক্তিকান্ত দাস নিজে সেই কথা জানান আজ। গোলাপি নোট বদল করার অগ্রগতি সম্পর্কে তিনি জানান। বিভিন্ন ব্যাংক থেকে যে সমস্ত তথ্য এসেছে তার থেকে জানা গেছে প্রায় ৮৫ শতাংশ নোট গ্রাহকের আকাউন্তে ঢুকে গিয়েছে। তবে প্রথমে ধারনা করা হয়েছিল বিভিন্ন ব্যাংক গুলোতে বিপুল পরিমাণে নগদ জোগাড় করাতে হিমসিম পরে যেতে পারে। কিন্তু আদতে তা হয়নি। ফলে স্বস্তিতে রয়েছে ব্যাংক করতিপক্ষ। কারণ বেশি পরিমান টাকাই গ্রাহকরা তাঁদের অ্যাকাউন্টে রেখেছে।
রিজার্ভ ব্যাঙ্ক তার হিসেব সামনে এনেছে। হিসাব অনুযায়ী বাজারে মোট ৩ লক্ষ ৬২ হাজার কোটি টাকা মুল্যের ২০০০ টাকার নোট চালু ছিল। তবে এখনও পর্যন্ত তার মধ্যে থেকে ১ লক্ষ ৮২ হাজার কোটি ফেরত এসে গিয়েছে।
২০০০ টাকার নোট ইতিমধ্যে ৫০% ফেরত এসেছে, রিজার্ভ ব্যাঙ্ক তার হিসেব সামনে এনেছে
এর আগে রিজার্ভ ব্যাঙ্কের গভর্নর শক্তিকান্ত জানিয়েছিলেন ৩০ শে সেপ্টেম্বরের পরেও ২০০০ টাকার নোট ‘অবৈধ’ হয়ে যাবে না। শুধু মাত্র শেষ মুহূর্তে ভিড় এড়ানোর জন্য জন সাধারণকে আবেদন করা হয়েছিল।



