নজরবন্দি ব্যুরোঃ নয়া রাজ্যপাল পেয়েছে রাজ্য। সম্পর্কের ইতিবাচক দিকটি ইতিমধ্যেই এসেছে নজরে। কিন্তু প্রাক্তন রাজ্যপালের স্মৃতি এত তাড়াতাড়ি ভোলেনি বঙ্গবাসী। আর এর মধ্যেই শোনা গেল প্রাক্তন রাজ্যপাল তথা বর্তমানে ভারতের উপরাষ্ট্রপতি জহদীপ ধনকড় আসতে চলছেন বাংলায়। চলতি মাসেই আবার কলকাতায় পা রাখবেন উপরাষ্ট্রপতি জগদীপ। সেই উপলক্ষ্যেই আদিবাসী অস্ত্রে শান রাজ্যের শাসক দলের। আখিল মন্তব্যে ড্যামেজ কন্ট্রোলে নামছেন রাজ্যের দুই মন্ত্রী বীরবাহা হাঁসদা ও জ্যোৎস্না মাণ্ডি।
আরও পড়ুনঃ ডিসেম্বরের শুরুতে দিল্লি যাত্রা মমতার, যাচ্ছেন মেঘালয়ের প্রচারে
রাজ্যের নবনির্বাচিত রাজ্যপালের প্রসঙ্গে ভূয়সী প্রশংসা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা। কিন্তু কয়েক মাস আগের ছবি ছিল একেবারেই আলদা। রাজ্য রাজ্যপাল সংঘাতে জর্জরিত ছিল বাংলা। সেসময় ধনকড়ের স্মৃতি এখনও টাটকা শাসকদলের কাছে। এখন তিনি ভারতের উপরাষ্ট্রপতি তাই আর কোন পুরানো সংঘাত মনে রাখতে চায়না শাসক শিবির। সবরকম ত্রুটি ঢাকতে বিমানবন্দরে পাঠাচ্ছেন দুই সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মন্ত্রীকে।

রাজ্যপালের শপথের আগেই অখিল গিরির কুরুচিকর মন্তব্যে উত্তাল হয়েছিল রাজ্য রাজনীতি। রাষ্ট্রপতিকে নিয়ে মন্তব্যে যথেষ্ট অস্বস্তির মুখে পরেছে রাজ্য সরকার। আদিবাসী ভাবাবেগের আঘাতে প্রলেপ দিতেই উপরাষ্ট্রপতিকে বাগত জানাতে দুই জনজাতি প্রতিনিধি পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে মনে করা হয়।
চলতি মাসে রাজ্যে ধনকড়, স্বাগত জানাবেন বীরবাহা-জ্যোৎস্নারা, লক্ষ্যে ড্যামেজ কন্ট্রোল!

রাজ্যের মন্ত্রী বীরবাহা হাঁসদা সাঁওতালি সিনেমার অভিনেত্রী। ঝাড়গ্রামের এই বিধায়ক ও মন্ত্রী জনজাতি সমাজে বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছেন। জ্যোৎস্না মান্ডি বাঁকুড়ার নেত্রী। বিজেপির আদিবাসী অস্ত্র কে লাগাম দিতেই এই দুই মহিলা জননেত্রীর ওপর ভরসা রাখছে মমতার সরকার। তাই রাজ্যপালকে আমন্ত্রণ জানাতে দুই মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম ও শশী পাঁজা গেলেও উপরাষ্ট্রপতির ক্ষেত্রে বদলটি বেশ লক্ষনীয়।



