নজরবন্দি ব্যুরো: আবার জানুয়ারিতে বাংলায় শাহ, একুশের আগেই সংগঠনে জোর। একুশের আগেই রাজ্যে আনাগোনা বেড়েছে নেতাদের। তার সঙ্গে বাড়ছে রাজনৈতিক পালাবদল। ঘনঘন বৈঠকে নির্বাচনী রণনীতিও নির্ধারিত হচ্ছে। বুথ স্তরে সংগঠন না থাকলে এতো প্রস্তুতি নিয়েও যে শেষে কোনো লাভ হবে না।এইটি ভালই বোঝেন বিজেপির প্রাক্তন সর্বভারতীয় সভাপতি অমিত শাহ।
আরও পড়ুনঃঅমিত শাহের বিশ্বভারতী পরিদর্শনকে অরাজনৈতিক রাখতে চায় কর্তৃপক্ষ
তাই শনিবার রাতেই বন্ধ দরজার ভেতরে নেতা-কর্মীদের হোম টাস্ক বেঁধে দিলেন, অমিত শাহ। ১৫ জানুয়ারি পর্যন্ত বিজেপির রাজ্য নেতাদের হোম টাস্ক দিয়েছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। যার মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বুথস্তরে সংগঠন মজবুত করা। ফলে সেই জন্যই ভোটার তালিকা স্ক্রুটিনির কাজে কর্মীদের বাড়ি-বাড়ি যেতে হবে।
পাশাপাশি প্রতি বুথে পাঁচটি করে দেওয়াল লিখন করাতে হবে। এককথায়, এবার মাঠে নেমে কাজ করতে হবে বিজেপির বুথস্তরের কর্মীদের। যা দেখে কেউ কেউ বলছেন, তৃণমূল স্তরে ঘর গুছিয়ে তৃণমূলকে মাত দিয়ে চাইছেন শাহ। তবে রাজ্যের নেতারা এবং বুথকর্মীরা বেঁধে দেওয়া টাস্ক কতটা করছেন, সেদিকে কড়া নজর রেখেছে কেন্দ্রীয় নেতারা। তা না হলে কি জানুযারিতে ফের তিনদিনের বঙ্গসফরে আসেন অমিত শাহ এবং জেপি নাড্ডা?
আবার জানুয়ারিতে বাংলায় শাহ, একুশের আগেই সংগঠনে জোর। নিউটাউনের বৈঠকে শাহ জানিয়েছেন, নতুন বছরে জানুয়ারি মাসে তিনদিন রাজ্যে আসবেন তিনি এবং জে পি নাড্ডা। ফলে বোঝায়ই যাচ্ছে, বঙ্গ দখলে কোমর বেঁধে নেমে পড়েছে গেরুয়া শিবির।



