নজরবন্দি ব্যুরোঃ দলের লাগাতার মুখ খোলার পর সতর্ক বার্তা পেয়েছেন দিলীপ ঘোষ। কেন্দ্রিয় নেতারা শিক্ষা দিয়েছেন দিলীপকে। তাই দলের ভুল দেখিয়ে দেওয়ার কাজ আর করবেন না বলেই ঘোষণা করলেন তথাগত রায়। ট্যুইটারে নিজের পরিচিতি বদল করার সিদ্ধান্ত নিলেন তিনি। তিনি জানিয়েছেন, দেরিতে হলেও কেন্দ্রিয় নেতৃত্ব সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তাই নিজের ভূমিকা থেকে সরে দাঁড়ালেন প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি। ভবিষ্যতে দরকার হলে সেই ভূমিকায় তিনি অবতীর্ণ হবেন।
আরও পড়ুনঃ ফের শাসক দলের গোষ্টীদ্বন্দ প্রকাশ্যে, পদ খোয়ালেন তৃণমূলের বালুরঘাট শহর সভাপতি
এমনিতেই বঙ্গ বিজেপিতে দিলীপ ঘোষ বনাম তথাগত রায়ের দ্বন্দ্ব সম্পর্কে অবগত রাজনৈতিক মহল। একে অপরকে কখনও ‘ফিটিং মিস্ত্রি’ আবার কখনও ‘মদ্যপ’ বলে কটাক্ষ করেছেন। শুধুমাত্র দিলীপ ঘোষ নয়, তপ্তহাগত তালিকায় ছিলেন কৈলাস বিজয়বর্গীয়, শিবপ্রকাশ, অরবিন্দ মেননরাও। সম্প্রতি দিলীপ ঘোষের ওপ কেন্দ্রিয় নেতৃত্ব সেন্সর করতেই। সেই ভূমিকা থেকে সরে দাঁড়ালেন তিনি।

দলের কার্যপ্রণালী নিয়ে একাধিকবার সমালোচনা করেছেন বিজেপির সর্বভারতীয় সহ-সভাপতি দিলীপ ঘোষ। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে রাজ্য বিজেপি সভাপতির অভিজ্ঞতা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন তিনি। একইসঙ্গে সরব হন তথাগত রায়ের বিরুদ্ধে। যে কারণে চরম অস্বস্তিতে পড়তে হয়েছে দলকে। তাই দিলীপকে দলের বিরুদ্ধে মন্তব্য করতে মানা করেন কেন্দ্রিয় নেতৃত্ব।
রাজনৈতিক মহলের ধারণা, শুধুমাত্র দিলীপ ঘোষ নয়, দলে সমালোচক সকলকেই এর মাধ্যমে শিক্ষা দিতে চাইল দীন দয়াল উপাধ্যায় মারগের নেতারা। তবে কী আপাতত দলের সমালোচনা থেকে নিজেকে সরিয়ে রাখলেন দিলীপ এবং তথাগত?
কেন্দ্রিয় নেতারা শিক্ষা দিয়েছেন দিলীপকে, নিজে ভূমিকা থেকে সরে দাঁড়ালেন তথাগত

যদিও এসম্পর্কে তথাগত রায় স্পষ্ট করেছেন, কেন্দ্রের নেতাদের তরফে কোনও বার্তা আসেনি। এটা তাঁর ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত। পরবর্তীতে নিজের সিদ্ধান্ত থেকে সরে ফের সমালোচক হয়ে উঠতে পারেন তিনি।



