নজরবন্দি ব্যুরোঃ প্রাক্তন সিএবি প্রেসিডেন্ট সৌরভ গাঙ্গুলী আগেই জানিয়েছিলেন যে যদি সরকার চায় তাহলে করোনা চিকিত্সা কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহার করতে পারে ইডেন গার্ডেন্স কে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে আগেই এই ব্যাপারে সব রকম সহযোগিতা করার কথা জানিয়েছিলেন সৌরভ গাঙ্গুলী। এবার সেই মতো সিএবি কর্তাদের সঙ্গে আলোচনার পর সিদ্ধান্ত হয় মূলত পুলিশ কর্মীদের জন্য ব্যবহার করা হবে ইডেনের কোয়ারেন্টাইন সেন্টার।
আরও পড়ুনঃ কোনও পরীক্ষা হবে না রাজ্যের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে!
ইডেনের গ্যালারি নিচে হবে কোয়ারেন্টাইন সেন্টার গুলি। প্রাথমিকভাবে চারটি ব্লক ঠিক করা হয়েছে। ইডেনে গ্যালারি নিচে E,F,G,H এই চারটি ব্লকে তৈরি হবে কোয়ারেন্টাইন সেন্টার। প্রয়োজন পড়লে J ব্লক ব্যবহার করা হবে। তবে ক্লাব হাউসের সংলগ্ন B,C,D,K এবং L ব্লক কোনওভাবেই কোয়ারেন্টিন সেন্টারের জন্য দেওয়া যাবে না বলে জানানো হয়েছে। কারণ সিএবি-র গ্রাউন্ডসম্যান এবং কর্মীদের ওই সব ব্লকে থাকার ব্যবস্থা করা হচ্ছে। শুক্রবার রাতে লালবাজারে গিয়ে জাভেদ শামিম সহ উচ্চপদস্থ পুলিশ কর্তাদের সঙ্গে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত সিএবি প্রেসিডেন্ট অভিষেক ডালমিয়া ও সচিব স্নেহাশীষ গঙ্গোপাধ্যায়।
প্রসঙ্গত বৃহস্পতিবার বিকেল থেকে এ রাজ্যেও কনটেইনমেন্ট জোনে নতুন করে লকডাউন শুরু হয়েছে। এবার পুলিসকর্মীদের জন্য ইডেন গার্ডেন্সের কোয়ারেন্টিন সেন্টার করা হতে চলেছে।রাজ্যে মোট আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়াল ২৭ হাজার ১০৯ জন। মোট সুস্থ হয়ে ওঠার সংখ্যা ১৭ হাজার ৩৪৮ জন। মোট মৃত্যু হয়েছে ৮৮০ জনের। এই মুহূর্তে কোভিড-১৯ সক্রিয় রয়েছে আট হাজার ৮৮১ জনের শরীরে। রাজ্যের তিন জেলায় গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন সংক্রামিতের খোঁজ মেলেনি। সেই জেলাগুলি হল, কালিম্পং, পুরুলিয়া এবং ঝাড়গ্রাম।
এদিন ঝাড়গ্রামের ছ’জন সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন। ফলে জঙ্গলমহলের এই জেলায় ফের করোনা অ্যাকটিভ সংখ্যা শূন্য হয়ে গিয়েছে। কলকাতা ও উত্তর ২৪ পরগনার পরে গত ২৪ ঘণ্টায় সবচেয়ে বেশি সংক্রামিতের হদিশ মিলেছে হাওড়ায়। সেখানে ১৩০ জন করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। তা ছাড়া দক্ষিণ ২৪ পরগনায় করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ১০৪ জন ও হুগলিতে ৭১ জন। উত্তরবঙ্গের জেলাগুলিতেও সংক্রমণের হারে বিশেষ কোনও বদল নেই। সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত হয়েছেন মালদহে, ৪৯ জন। তারপর দার্জিলিং, ২৮ জন।আগামী দিনে এই সংখ্যা আরও বাড়বে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।



