নজরবন্দি ব্যুরো: গতবছরের শেষের দিক থেকেই ফের ঝড়ের বেগে ব্যাট শুরু করেছে মারন করোনা। যারফলে নতুন বছরের প্রথম সপ্তাহ থেকেই রাজ্য জুড়ে আংশিক লকডাউনের পথে হাটতে রাজ্য সরকার কে। সময়ের সাথে সাথে পরিস্থিতি এতটাই ভয়ঙ্কর হয়ে ওঠে যে সাধারন মানুষ থেকে শুরু করে চলচ্চিত্র তারকা, গায়ক কিংবা ক্রীড়া প্রতিভা প্রায় সকলকেই অল্প সময়ের মধ্যে নিজের কবলে নিয়ে আসে করোনার এই নয়া ভ্যারিয়েন্স তথা ওমিক্রন। যা থেকে রেহাই পায়নি এটিকে মোহনবাগান শিবির।
আরও পড়ুনঃ জাতীয় দলে সুযোগ না পাওয়া হার্দিক, আইপিএলে অধিনায়ক
যারফলে, টিম ম্যানেজমেন্টের এই খারাপ পরিস্থিতির কথা এফএসডিএল কে জানিয়ে গত শনিবার ওড়িশার সঙ্গে ম্যাচ পিছিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল লিগ কর্তৃপক্ষ। এরপরে যত সময় এগোয় ততই খারাপ হতে থাকে গোটা পরিস্থিতি। কোভিড রিপোর্ট হাতে আশার পরই জানা যায় সন্দেশ ঝিঙ্গান ও রয়কৃষ্না সহ করোনার কবলে এটিকে মোহনবাগানের আরও তিনজন। যারফলে আগামী কয়েকদিনের জন্য পুরোপুরিভাবে গোটা দলকে কোয়ান্টাইনে রাখার কথা শোনা যায় ম্যানেজমেন্টের তরফ থেকে।

সেইমত আজ বৃহস্পতিবার শেষ হতে চলেছে শুভাশিস-প্রীতমদের কোয়ান্টাইন পর্ব। যারফলে ফের গোয়ার মাঠে অনুশীলনে নামছে সবুজ-মেরুন ব্রিগেড। গত উড়িষ্যা ম্যাচ ঘিরে যে উদ্বেগজনক পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল এটিকে শিবিরে বর্তমানে সেই সমস্যার অনেকটাই সমাধান সম্ভব হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। আসলে দল কোয়ান্টাইনে থাকলেও ভিতরে ভিতরে পৃথক ভাবে চালিয়ে গিয়েছে প্রস্তুতি।

যদিও পরবর্তীতে একটি বিবৃতি দিয়ে সরকারিভাবে আইএসএলের সিইও বলেন, এই কোভিড পরিস্থিতিতে কোনও দলের ১৫ জন ফুটবলার একেবারে সুস্থ থাকলে সংশ্লিষ্ট দলের ম্যাচ হবে। সেক্ষেত্রে কোনও দলে কম ফুটবলার থাকলেও আর বাতিল করা যাবে না। তখন প্রতিপক্ষকে ৩-০ গোলে জয়ী হিসেবে গন্য করা হবে। তবে দুই দলের ফুটবলারদের মধ্যে এই সমস্যা দেখা দিলে ম্যাচ গোলশূন্য হিসেবে গন্য হবে।
করোনা কাঁটা দূরে ঠেলে অনুশীলন শুরু মোহনবাগানের
ঘোষণা করা হবে। যদি দুই দলেই পর্যাপ্ত ফুটবলার না থাকে তাহলে সেক্ষেত্রে ম্যাচ গোলশূন্য ড্র ঘোষণা করা হবে। তবে বর্তমানে প্রায় অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে রয়েছে পরিস্থিতি। তাই আগামী শনিবার সুনীলদের ব্যাঙ্গালুরুর মুখোমুখি হওয়ার কার্যত নিশ্চিত হুগো বুমোসদের।



