নজরবন্দি ব্যুরোঃ নেতাই দিবসে প্রতি বছর শহীদদের উদ্দেশ্যে শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করেন শুভেন্দু অধিকারী। কিন্তু এবছর নেতাই যাওয়ার পথে বিরোধী দলনেতাকে আটকে দেওয়া হয় পুলিশ। এমনকি হাইকোর্টের নির্দেশের পরেও যথাযথ নিরাপত্তা ব্যবস্থা ছিল না। সেই অভিযোগ তুলে আদালতের দ্বারস্থ হন নন্দীগ্রামের বিধায়ক। সেখানেই তাঁর আইনজীবী জানান, সিসিটিভির মাধ্যমে শুভেন্দুর ওপর নজরদারী রাখা হচ্ছে।
আরও পড়ুনঃ করোনা আক্রান্ত সুকান্ত কে ফোন মমতার, কুশল কামনা করে পাশে থাকার বার্তা।
এদিন আদালতকে তিনি জানান, তাঁর বাড়ির ওপর নজরদারি চালাচ্ছে রাজ্য। সোমবার সেই মামলার শুনানি চলছিল কলকাতা হাইকোর্টে। সেখানে রাজ্যের কাছে রিপোর্ট তলব করল আদালত। বিচারপতি রাজেশ মান্থানার নির্দেশ এক সপ্তাহের মধ্যে সেই রিপোর্ট জমা দিতে হবে আদালতকে। ১৯ জানুয়ারি এই মামলার শুনানি রয়েছে।
উল্লেখ্য, এবার নেতাই দিবসে শহীদ পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে এবং শহীদ বেদিতে শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করতে উপস্থিত হন নন্দীগ্রামের বিধায়ক। কিন্তু ঝিটকার জঙ্গলের কাছেই আটকে দেওয়া হয় তাঁকে। ভীমপুরে একটি শহিদ বেদিতে মাল্যদান করে ফিরে আসেন তিনি। আদালতের কাছে শুভেন্দু অধিকারীর আইনজীবী বলেন, রাজ্যের বিরোধী দলনেতাকে নিয়ে উদাসীন রাজ্য। আদালতের নির্দেশের পরেও মানা হচ্ছে না নিয়ম।
সিসিটিভির মাধ্যমে শুভেন্দুর ওপর নজরদারী, আদালতে অভিযোগ

একইসঙ্গে তাঁর অভিযোগ, মাঝ রাত অবধি শুভেন্দু অধিকারীর বাড়ির সামনে তারস্বরে মাইক চালানো হয়েছে। এমনকি তাঁর ওপর নজরদারি চালানোর জন্য জানালা এবং দরজার বাইরে সিসিটিভি ক্যামেরা লাগানো হয়েছে। এরপরেই রাজ্যের তরফে গোটা বিষয়টি আদালতকে হলফনামা দিয়ে জানানোর জন্য এক সপ্তাহ চেয়ে নেন রাজ্যের অ্যাডভোকেট জেনারেল।
এখানেই থেমে নেই। শুক্রবার ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে শনিবার ট্যুইট করে রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড় জানিয়েছেন, এই অস্থির পরিস্থিতি দেখে মনে হচ্ছে রাজ্যজুড়ে জরুরী অবস্থা চলছে। হাইকোর্টের নির্দেশের পরেও বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে দুর্ব্যবহার করা হল। গোটা বিষয়টি নিয়ে জানাতে ১০ জানুয়ারির মধ্যে ডিজিপি এবং মুখ্যসচিবকে তলব করেছেন তিনি।



