নজরবন্দি ব্যুরোঃ বৌদ্ধদের শীর্ষ ধর্মগুরু দলাই লামার জন্মদিন। আর তাঁর জন্মদিনেই ফের তিব্বতকে চিনের দখলমুক্ত করার দাবি উঠল। ১৯৫০-এর দশকে চিন তিব্বত দখল করে। আর এরপর ১৯৫৯ সাল থেকে উত্তর ভারতের ধরমশালায় তাঁর নির্বাসন জীবন শুরু হয়। এদিকে লাদাখ নিয়ে ক্রমেই পরিস্থিতি উত্তপ্ত হচ্ছে। সংবাদ সংস্থা এএনআই সূত্রে খবর, গালওয়ানে প্রায় এক-দু’কিলোমিটার পিছিয়ে গিয়েছে লাল ফৌজ।
অন্যদিকে, তিব্বতে চিন তাদের অতিরিক্ত সেনার ডিভিশন মোতায়েন করেছে। এই অবস্থায় ফের চিন মুক্ত তিব্বতের দাবি উঠল। অপর দিকে লাদাখে ভারতের সঙ্গে চীনের সেনাবাহিনীর সংঘর্ষে কুড়ি জন ভারতীয় সেনা নিহত হওয়ার পরে পরিস্থিতি ক্রমশ উত্তপ্ত হতে শুরু করে। ভারতের পক্ষ থেকে একাধিকবার সামরিক এবং কূটনৈতিক স্তরে পর্যায়ক্রমে আলোচনা শুরু করা হয়।
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এই পরিস্থিতিতে লাদাখ সফরে যান। সেখানে গিয়ে চীনের নাম না করে কড়া বার্তা দেন তিনি। এর পরেই চীন গালওয়ান থেকে সেনা সরানো শুরু করেছে। ১৫ ই জুন, দু’দেশের সেনাবাহিনী যে স্থানে মুখোমুখি হয়েছিল, এখন সেখান থেকে চীনা সেনাবাহিনী প্রায় এক কিমি দূরে পিছিয়ে গেছে। সেনাবাহিনীকে অব্যাহতভাবে সেনা প্রত্যাহার করার জন্য সেনাবাহিনীর মধ্যে মন্থন ছিল, এমন পরিস্থিতিতে এটিকে এই প্রক্রিয়ার প্রথম পদক্ষেপ হিসাবে বিবেচনা করা হচ্ছে।
সেনা সূত্রকে উদ্ধৃত করে সংবাদসংস্থা এএনআই দাবি করেছে, গালওয়ান নদী সংলগ্ন যে এলাকাগুলি থেকে দু’পক্ষ পিছিয়ে আসার বিষয়ে একমত হয়েছিল, সেখান থেকে চিনা সেনা তাদের তাঁবু, বাহিনী এবং যানবাহন সরিয়ে নিয়েছে। প্রায় ১ থেকে ২ কিলোমিটার পিছিয়ে গিয়েছে তারা। বৈঠকের শর্ত মেনে ভারতীয় সেনাও বেশ কিছুটা পিছিয়ে এসেছে বলে খবর।
তবে গালওয়ান নদী উপত্যকার গভীরে কয়েকটি জায়গায় এখনও চিনা বাহিনীর সশস্ত্র যানবাহন রয়েছে। গোটা পরিস্থিতির উপরে নজর রাখা হচ্ছে বলে ভারতীয় সেনা সূত্রে জানানো হয়েছে।



