নজরবন্দি ব্যুরোঃ রাজ্যে এলো ৭৫ হাজার কোভ্যাকসিন, দেশের আক্রান্তের গ্রাফ কমছে ধীরে ধীরে, সুস্থ হচ্ছে মানুষ। তবে এখনই স্বস্তি নয় বলেও জানানো হয়েছে। এই মুহুর্তে সতর্ক না থাকলে যে কোন মুহুর্তে আবার ভয়াবহ হতে পারে পরিস্থিতি। গত কয়েক সপ্তাহ জুড়ে গোটা দেশ চরম সংকটের মুহুর্ত পেরিয়ে এসেছে, কিছু কিছু জায়গায় পরিস্থিতি এখনো ভয়াবহ। হাহাকার অক্সিজন-বেড সব কিছুরই।
আরও পড়ুনঃ বড়ো ঘোষণা নবান্নের, ৩০ সে মে পর্যন্ত লকডাউন রাজ্যে।
আর তার সঙ্গে ব্যাপক চাহিদা টিকার। দেশ জুড়ে বাড়ন্ত টিকা। তৃতীয় পর্যায়ের টিকা করণের কথা ঘোষণা করা হয়েও টিকার অভাবে বেশিরভাগ রাজ্যে শুরুই হয়নি এই প্রক্রিয়া। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী একাধিক বার প্রধানমন্ত্রীকে চিঠি পাঠিয়েছেন পর্যাপ্ত টিকার সরবরাহের জন্য, প্রস্তাব দিয়েছেন প্রয়োজনে বাংলায় তৈরি হোক টিকার কারখানা, জমি দিতেও প্রস্তুত তিনি। টিকার অভাবের কারণে গতকাল দিল্লি হাই কোর্টের তীব্র ভর্তসনার মুখে পড়তে হয়েছে কেন্দ্রকে, জানানো হয়েছে কলারটিউনে না শুনিয়ে ব্যবস্থা করা হোক টিকার।
সেসবের মধ্যেই আজ বাংলায় এসে পৌঁছেছে ৭৫ হাজার কোভ্যাকসিন,হায়দ্রাবাদের থেকে টিকা নিয়ে কলকাতা বিমানবন্দরে পৌঁছয় এয়ার ইন্ডিয়ার বিমান। বিমান বন্দরে উপস্থিত ছিলেন রাজ্য স্বাস্থ্য দফতরের আধিকারিকরা, ভারত বায়োটেকের তৈরি করোনা টিকা নিয়ে গিয়েছেন বাগবাজারের সেন্ট্রাল মেডিক্যাল স্টোরে। ্সূত্রের খবর সেখান থেকেই বিতরণ হবে টিকা, উল্লেখ্য এর আগে গত ৯ মে রাজ্যে পৌঁছয় ১ লক্ষ কোভ্যাকসিন। তা নিয়ে উষ্মা প্রকাশ করেছিলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী, যে পরিমাণ টিকা আসছে তার চেয়ে রাজ্য গুলির চাহিদা অনেক বেশি বলেও জানিয়েছেন বারবার।



