নজরবন্দি ব্যুরো: প্রজাতন্ত্র দিবসে চলছে কুচকাওয়াজ, শক্তি দেখাতে প্রথমবার তৈরি রাফাল। আজ দেশের ৭২ তম গণতন্ত্র দিবস। ইতিমধ্যেই দিল্লির রাজপথে শুরু হয়েছে প্যারেড। পাশাপাশি ভারত তার সামরকি শক্তির মহড়া দেখাচ্ছে। প্রথমবারের জন্য এই মহড়ায় অংশ নিচ্ছে রাফাল। করোনা পরিস্থিতির জেরে এবার ২৫ হাজার দর্শককে ভিতরে ঢুকতে দেওয়া হয়েছে। প্রতি বছর এখানে অন্তত লক্ষাধিক লোকের সমাগম হত। প্রজাতন্ত্র দিবসের উপলক্ষ্যে নিরাপত্তার চাদরে মুড়ে ফেলা হয়েছে রাজপথ। অন্যদিকে ৭২ তম গণতন্ত্র দিবসে মহড়ায় কলকাতায় রেড রোডে চলছে প্রজাতন্ত্র দিবসের কুচকাওয়াজ। সামিল রয়েছেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।


৭২ তম গণতন্ত্র দিবস উৎযাপনে জাতীয় স্মৃতিসৌধে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী পৌঁছলে তাঁকে স্বাগত জানান প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং। শহীদদের স্মৃতিস্মরণে জাতীয় স্মৃতিসৌধে শহিদদের শ্রদ্ধা জানান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। তাঁর সঙ্গে সেখানে উপস্থিত ছিলেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং ও তিন বাহিনীর প্রধান। পশ্চিমবঙ্গ সরকারের সবুজ সাথী প্রকল্পকে দিল্লির রাস্তায় তুলে ধরল পশ্চিমবঙ্গ সরকার। সঙ্গে রবীন্দ্রসঙ্গীত, আমরা নূতন যৌবনেরই দূত । এরপর ২১ বার তোপধ্বনি এবং জাতীয় সঙ্গীতের সঙ্গে পতাকা উত্তোলন অনুষ্ঠান শুরু হয়। রাজপথের অনুষ্ঠানে উপস্থিত রয়েছেন প্রধানমন্ত্রী, রাষ্ট্রপতি ও অনান্য মন্ত্রীরাও। ১১.২৫ মিনিটে শুরু হয় ফ্লাই পাস্টরাজপথে এদিন মহড়ায় সামিল হয় Brahmos Missile system। ক্যাপ্টেন কামরুল জামানের নেতৃত্বে মহড়ায় সামিল হয়। সবমিলিয়ে সকাল থেকে দিল্লির রাজপথে চলছে বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠান।
এবারের প্রজাতন্ত্র দিবসে গালওয়ানের বীর শহিদদের মরণোত্তর সাহসিকতার পুরস্কার দিল ভারত সরকার। ২০১৯ সালে ১৫ জুন পূর্ব লাদাখের গালওয়ান উপত্যকায় অনুপ্রবেশকারী চিনা সেনার সঙ্গে লড়াইয়ে শহীদ হন ২০ জন বীর ভারতীয় সেনা। সীমান্তবর্তী চুক্তি লঙ্ঘন করে লোহার রড, কাঁটাতার জড়ানো ব্যাট দিয়ে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ করে ভারতেরও বীর সেনাদের প্রাণ নেয় চিনের সেনারা। আজ তাঁদের সম্মান প্রদান করা হয়।
প্রজাতন্ত্র দিবসে চলছে কুচকাওয়াজ, প্রজাতন্ত্র দিবসে ভারতবাসীকে শুভেচ্ছে জানান ইংল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন। ভারতীয় জনগণের প্রতি একটি ভিডিও বার্তা প্রকাশ করে তিনি বলেন, ভারত বিশ্বের সর্ববৃহৎ সার্বভৌম গণতন্ত্র, আমার বন্ধু প্রধানমন্ত্রী মোদি এমন গুরুত্বপূর্ণ অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার জন্য আমাকে আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন, আমি ভীষণভাবে চেয়েছিলাম এতে যোগ দিতে কিন্তু করোনার বিরুদ্ধে আমাদের যৌথ লড়াই লন্ডনে থাকতেই বাধ্য করল আমাকে।









