অর্থ প্রতিমন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য ১২ ফেব্রুয়ারি বাজেট পেশ করছেন। এটি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারের শেষ ‘পূর্ণাঙ্গ বাজেট’, তাই রাজ্য সরকারি কর্মচারীরা বড় অঙ্কের মহার্ঘ ভাতা (ডিএ) ঘোষণার প্রত্যাশা করছিলেন। অবশেষে সেই আশা কিছুটা পূর্ণ হল মুখ্যমন্ত্রীর উদ্যোগ এবং চন্দ্রিমা ভট্টাচার্যের ঘোষনায়। ৪ শতাংশ মহার্ঘ্যভাতা বাড়ল রাজ্য সরকারি কর্মীদের
কেন্দ্র ও রাজ্যের ডিএ-র পার্থক্য: বর্তমানে কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারীরা ৫৩% হারে ডিএ পান, যেখানে রাজ্য সরকারি কর্মচারীরা মাত্র ১৪% হারে ডিএ পাচ্ছিলেন। আজ ঘোষনার পর কেন্দ্র ও রাজ্যের ডিএর ফারাক কিছুটা কমল। ১ এপ্রিল ২০২৫ থেকে ১৮ শতাংশ মহার্ঘ্যভাতা পাবেন রাজ্যের কর্মীরা। এখন থেকে ৩৫ শতাংশ DA-র তফাত রইল কেন্দ্র এবং রাজ্যের মধ্যে, যা আগে ছিল ৩৯ শতাংশ।


মুখ্যমন্ত্রীর অবস্থান এবং ডিএ নিয়ে আলোচনা: মুখ্যমন্ত্রী জানেন যে, রাজ্য সরকারি কর্মচারীরা ডিএ নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে ক্ষোভ প্রকাশ করছেন। প্রশাসনিক সূত্রে খবর, অর্থ দফতরের শীর্ষ আধিকারিকেরা ৪-৬ শতাংশের মধ্যে ডিএ ঘোষণা নিয়ে আলোচনা করেছিলেন। তবে সিদ্ধান্তটি বাজেট পেশের ঠিক আগে নেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়। শেষ পর্যন্ত ৪ শতাংশ DA ঘোষণা করল রাজ্য।
পূর্ববর্তী ডিএ ঘোষণা: গত বছর বাজেট বক্তৃতার শেষ মুহূর্তে মুখ্যমন্ত্রী একটি চিরকুটে ৩% ডিএ বাড়ানোর নির্দেশ দিয়েছিলেন। পরবর্তী সময়ে বড়দিনের উৎসবে ৪% ডিএ বৃদ্ধির ঘোষণা করেন। এমন উদাহরণ রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের মধ্যে কিছুটা আশার আলো দেখাচ্ছে।
বিরোধীদের দাবি এবং কর্মচারী সংগঠনের ক্ষোভ: বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী অভিযোগ করেছেন যে, কেন্দ্রীয় ও রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের বেতনের ফারাক বেড়েই চলেছে। সংগ্রামী যৌথ মঞ্চের আহ্বায়ক ভাস্কর ঘোষের বক্তব্য, রাজ্য সরকারের উচিত ছিল ৩৯% বকেয়া ডিএ মেটানো।









