নজরবন্দি ব্যুরোঃ শহরজুড়ে আছড়ে পড়েছে করোনার তৃতীয় ঢেউ। করোনার গ্রাসে একের পর এক আক্রান্ত হচ্ছেন প্রথম সারীর স্বাস্থ্য কর্মীরা। এনআরএস হাসপাতাল সূত্রে খবর, একদিনে আক্রান্ত হয়েছেন ১৯৮ জন। যার জেরে ভেঙে পড়ছে স্বাস্থ্য পরিষেবা। আক্রান্ত হয়েছেন শতাধিক চিকিৎসক, নার্স এবং স্বাস্থ্যকর্মীরা। কিভাবে চলবে পরিষেবা? উঠছে প্রশ্ন।
আরও পড়ুনঃ West Bengal Municipal Election: করোনা আবহে পিছোতে পারে পুরভোট, হাইকোর্টে মামলা দায়ের


জানা গিয়েছে, করোনা আক্রান্ত হয়েছেন এনআরএস হাসপাতালের অধ্যক্ষ শৈবাল মুখ্যোপাধ্যায়। শুধুমাত্র ওই ১০০ জন চিকিৎসক নয়। এর আগেও করোনা আক্রান্ত হয়েছেন বহু চিকিৎসক। ১৪ দিনের আইসোলেশন পর্বে রয়েছেন অনেকেই। এতজন চিকিৎসক আক্রান্ত হওয়ার পর একাধিক পরিষেবা অচল থাকতে চলেছে। আউটডোর পরিষেবা কাটছাঁট করা হয়েছে। এমার্জেন্সি এবং অন্যান্য বিভাগ চালু রাখার ব্যবস্থা করা হচ্ছে।
গত কয়েকদিন ধরেই শহরের একাধিক হাসপাতাল থেকে চিকিৎসকদের আক্রান্ত হওয়ার খবর আসতে শুরু করেছে। ব্যাপক প্রভাব পড়েছে চিত্তরঞ্জন শিশু হাসপাতালেও। উত্তরবঙ্গ মেডিকেল কলেজে আক্রান্ত ২৫ জন চিকিৎসক এবং স্বাস্থ্য কর্মী। ন্যাশনাল মেডিকেল কলেজে তিন দিনে আক্রান্ত হয়েছেন ৯০ এর অধিক জন।

এই মুহুর্তে এক লাফে ৫৫ শতাংশ বাড়ল দেশে দৈনিক আক্রান্তের সংখ্যা। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের রিপোর্ট অনুযায়ী, দেশে একদিনে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ৫৮,০৯৭ জন। চার দিনের মাথায় আক্রান্তের সংখ্যা দ্বিগুণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এই মুহুর্তে দেশে মোট আক্রান্তের সংখ্যা ৩,৫০,১৮,৩৫৮ জন।


গত ২৪ ঘন্টায় করোনায় মৃত্যু হয়েছে ৫৩৪ জনের। যা গতকালের তুলনায় অনেকটাই বেশী। মঙ্গলবার দেশে করোনায় মৃত্যুর সংখ্যা ছিল ১২৪ । সংক্রমণের হার ৪.১৮ শতাংশ। সক্রিয় রোগীর সংখ্যা ২ লক্ষ পার করেছে। মহারাষ্ট্রে গত ২৪ ঘন্টায় করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ১৮,৪৬৬ জন। এর মধ্যে মুম্বই শহরে আক্রান্তের সংখ্যা ১০ হাজারের অধিক। গত ২৪ ঘন্টায় রাজ্যে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ৯ হাজার পার করেছে। দিল্লীতে আক্রান্ত হয়েছেন ৫,৪৮১ জন।
ভেঙে পড়ছে স্বাস্থ্য পরিষেবা, অচল এনআরএস

দেশে এই মুহুর্তে ওমিক্রন আক্রান্তের সংখ্যা ২,১৩৫। মহারাষ্ট্রে ওমিক্রন আক্রান্ত হয়েছেন ৬৫৩ জন। দিল্লীতে ওমিক্রন আক্রান্তের সংখ্যা ৪৬৪ জন। দেশে সুস্থতার হার ৯৮ শতাংশ। গত ২৪ ঘন্টায় করোনাকে পরাজিত করে সুস্থ হয়েছেন ১৫,৩৮৯ জন।







