নজরবন্দি ব্যুরোঃ রাজ্যে দৈনিক করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ৯ হাজার পার করেছে। এমত অবস্থায় পুরভোট পিছিয়ে নেওয়ার আর্জি জানিয়ে কলকাতা হাইকোর্টে জনস্বার্থ মামলা দায়ের করেন সমাজকর্মী বিমল ভট্টাচার্য। জনস্বার্থ মামলার অনুমতি দিয়েছে আদালত। আগামীকাল মামলার শুনানি হওয়ার কথা। যার ফলে করোনা আবহে পিছোতে পারে পুরভোট।
আরও পড়ুনঃ দৈনিক সংক্রমণে করোনার দীর্ঘ লম্ফন, ৫৫ শতাংশ বাড়ল দেশে আক্রান্তের সংখ্যা
আগামী ২২ জানুয়ারি রয়েছে চন্দননগর, বিধাননগর, আসানসোল এবং শিলিগুড়ি পৌরনিগম এলাকার নির্বাচন। উর্ধ্বমুখী করোনার মধ্যে কীভাবে হবে নির্বাচন? তা নিয়ে আদালতে জনস্বার্থ মামলা দায়ের করা হয়। আদালত সূত্রে খবর, মামলা দায়েরের জন্য অনুমতি দিয়েছে কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি প্রকাশ শ্রীবাস্তবের ডিভিশন বেঞ্চ।
এমনিতেই কলকাতা পুরসভা নির্বাচনের পর রাজ্যের বকেয়া পুরভোট করানোর জন্য কমিশনকে নির্দেশ দেয়া আদালত। আদালতের নির্দেশের পরেই দুই দফায় নির্বাচনের কথা জানানো হয় রাজ্য নির্বাচন কমিশনের তরফে। এরই মধ্যে করোনা থাবায় আক্রান্তের সংখ্যা ক্রমাগত বেড়েই চলেছে। তাও কড়া বিধিনিষেধ মেনেই নির্বাচনের জন্য সবুজ সংকেত দিয়েছে কমিশন।
কমিশনের তরফে জানানো হয়েছে, বন্ধ ঘরে প্রচারের ক্ষেত্রে ২০০ জনের বেশী লোক যেন না থাকে। খোলা জায়গায় প্রচারে থাকবেন ৫০০ জন। দুই ক্ষেত্রেই নিশ্চিত করতে বলেছে কমিশন। তবে বড় ধরনের কোনও জমায়েত যাতে না হয় সেদিকে নজর দিতে বলা হয়েছে সমস্ত দলগুলিকে। সেইসঙ্গে জোর দেওয়া হয়েছে কোভিড বিধি পালনের ক্ষেত্রেও।
করোনা আবহে পিছোতে পারে পুরভোট, আগামীকাল শুনানির সম্ভাবনা

রাত ৮ টা থেকে সকাল ৯ টা অবধি কোনও জনসভা করা যাবে না। ভোট কর্মীদের দুটি টিকা বাধ্যতামূলক। প্রার্থী এবং নির্বাচনী এজেন্টদের একটি ডোজ বাধ্যতামূলক। বাড়ি বাড়ি প্রচারের ক্ষেত্রে নিরাপত্তা কর্মী ছাড়া প্রার্থীর সঙ্গে সর্বাধিক ৫ জনের অনুমতি।



