নজরবন্দি ব্যুরোঃ দেশের নাগরিকদের বড় খবর দিলেন সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা। তিনি সুপ্রিম কোর্টকে দেওয়া নিজের বিবৃতির মাধ্যমে জানিয়েছেন, এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট(ইডি) ঋণখেলাপী দেশের তিন শিল্পপতি বিজয় মাল্য, নীরব মোদী এবং মেহুল চোকসির কাছ থেকে ১৮ হাজার কোটি টাকা পুনরুদ্ধার করতে পেরেছে।
আরও পড়ুনঃ আনিস হত্যার রহস্যভেদে সিবিআই তদন্ত চাই, বিস্ফোরক দাবি করলেন ধৃত হোমগার্ডের স্ত্রী!


দীর্ঘদিন যাবৎ এই তিন শিল্পপতির উপরে ঋণখেলাপের অভিযোগ রয়েছে। দেশের একাধিক ব্যাঙ্কের থেকে মোটা অঙ্কের টাকা ঋণ নিয়ে সেই ঋণ আর পরিশোধ করেনি, এই তিন রাঘব বোয়ালরা। ভারত সরকারের তরফ থেকে ঋণের অর্থ উদ্ধার করার জন্য এই তিনজনের যাবতীয় স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করার নির্দেশও জারি করা হয়েছিল।
এক্ষেত্রে আরও উল্লেখ্যযোগ্য বিষয় হল, সুপ্রিম কোর্টকে দেওয়া নিজের বিবৃতিতে সলিসিটর জেনারেল জানিয়েছেন- ওই তিন শিল্পপতির মোট ঋণখেলাপের পরিমাণ হল প্রায় ৬৭ হাজার কোটি টাকা। যার মধ্যে মাত্র ১৮ হাজার কোটি টাকা পুনরুদ্ধার করা গেলেও এখনও এক বড় অঙ্কের টাকার পুনরুদ্ধার করা বাকি রয়েছে।
২০১৭-২০১৯ এই দুই বছরে তিন শিল্পপতির ঋণখেলাপের ঘটনা গোটা দেশকে উত্তাল করে তোলে। দেশের বিভিন্ন ব্যাঙ্কের থেকে মোটা অঙ্কের টাকা ঋণ হিসাবে নিয়ে তা আত্মসাৎ করায় এক বিপুল অর্থ সঙ্কটের সন্মুখীন হতে হয় ব্যাঙ্কগুলিকে। গত বছর কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমনের একটি বিবৃতি অনুযায়ী ২০২১ সালের জুলাই মাসের হিসাব বলছে দেশের ব্যাঙ্কগুলি মোট ১৩ হাজার কোটি টাকার কাছাকাছি পুনরুদ্ধার করতে পেরেছিল।


বিজয় মাল্য, নীরব মোদী এবং মেহুল চোকসির থেকে ১৮ হাজার কোটি টাকা পুনরুদ্ধার

বর্তমানে এই পুনরুদ্ধারের পরিমাণ এসে দাঁড়িয়েছে ১৮ হাজার কোটিতে। অর্থাৎ টাকা পুনরুদ্ধারের পদ্ধতি চালু আছে এবং দেশের ব্যাঙ্কগুলির হাতে অর্থও আসছে। এখন দেখার বিষয় আর্থিক ক্ষতির পরিমাণ কতখানি মেরামত করা সম্ভব হয়।








