১৫ মিনিটের রোমহর্ষক অপারেশন। ফেসবুকের সাহায্যে প্রান বাঁচাল পুলিশ।

নজরবন্দি ডিজিটাল ডেস্ক

নজরবন্দি ব্যুরোঃ ১৫ মিনিটের রোমহর্ষক অপারেশন। ফেসবুকের সাহায্যে প্রান বাঁচাল পুলিশ। এই তাৎপর্যপূর্ণ ঘটনাটি ঘটেছে রাজ্যেই। ফেসবুকের সহায়তায় আত্মঘাতী হতে যাওয়া যুবক কে বাঁচাল পুলিশ। গতকাল তাঁর ১ঃ৩০ নাগাত ফেসবুকের তরফে একটি ই-মেইল পায় পুলিশ। মেইলের মাধ্যমে ফেসবুক কর্তৃপক্ষ পুলিশকে জানায় একজন ফেসবুক ব্যাবহারকারী আত্মহত্যা করতে চলেছেন। ফেসবুক বিস্তারিত বিবরন দিয়ে পুলিশ কে জানিয়ে দেয় সেই কথা।

আরও পড়ুনঃজাতীয় শিক্ষানীতি তৈরি হয়েছে শেখার জন্য, শুধু পড়ার জন্য নয়: প্রধানমন্ত্রী।

ফেসবুক কর্তৃপক্ষ পুলিশ কে জানায় এক ফেসবুক ব্যাবহারকারী আত্মহত্যা করতে চলেছেন ধারালো ব্লেডের সাহায্য নিয়ে। সে নিজের টাইমলাইনে লিখেছে সেই কথা। পাশাপাশি ফেসবুক ব্যাবহারকারী একটি ভিডিও আপলোড করেছেন। এই ই-মেইল পেয়ে সামান্যতম দেরিও করেনি পুলিশ। সাইবার টিম হানা দেয় সেই ইউজারের প্রোফাইলে। দেখা যায় ছেলেটি যখন ফেসবুকে প্রোফাইল তৈরী করেছিল তখন কে কয়েকটি ফোন নাম্বার দিয়েছিল সেখানে।

১৫ মিনিটের রোমহর্ষক অপারেশন। পুলিশ সাথে সাথেই সেই ফোন নাম্বার গুলিকে ট্র্যাক করা শুরু করে। দেখা যায় একটি ফোন নাম্বার সচল রয়েছে। সাথে সাথেই সেই ফোন নাম্বারের লোকেশন ট্র্যাক করে সাইবার পুলিশ। দেখা যায় ফোনটি রয়েছে নদীয়া জেলায়। প্রজুক্তির মাধ্যমে ফোন নম্বরের লোকেশন পাঠিয়ে দেওয়া হয় স্থানীয় ভীমপুর থানায়। এদিকে সাইবার পুলিশের অন্য একটি দল ততক্ষনে ফোন করেছে সেই ছেলের বাবার নাম্বার।

গভীর রাতে ফোনের রিং শুনে উঠে ঘুম জড়ানো কন্ঠ হ্যাল্লো বলার ১০ সেকেন্ডের মধ্যেই ঘুম উড়ে যায়। পুলিশ সংক্ষেপে ঘটনা ব্যাখ্যা করে। ফোন চালু অবস্থাতেই ছেলেটির বাবা দৌড়ে যায় পাশের ঘরে। দেখা যায় হাতে খোলা ধারালো ব্লেড নিয়ে আত্মহত্যা করতে চলেছে ছেলে। সাথে সাথেই তাঁকে ধরে ফেলেন বাবা এবং বাড়ির লোকজন।

ফোনে বাবা পুলিশ কে বলেন তাঁর ছেলে গত কয়েক বছর ধরে মানষিক অবসাদে ভুগছে। আগেও সে আত্মহত্যা করা চেষ্টা করেছে অন্তত ৩ বার। মানষিক রোগের চিকিৎসক দেখানো চলছে তাঁর। এদিকে ফোনে যখন কথা চলছে ঠিক সেই সময় বাড়ির গেটে পৌঁছে যায় স্থানীয় থানার পুলিশ। ছেলেকে নিয়ে যাওয়া হয় স্থানীয় হাসপাতালে। পরীক্ষা করার পর তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়। ফেসবুক ব্যাবহারকারীর বাবা পুলিশ এবং ফেসবুক কে আন্তরিক ভাবে কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন।

সবচেয়ে আগে সঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে

Google News Google News এবং Google Discover Google Discover -এ নজরবন্দি-কে Follow করে রাখুন।

আরও পড়ুন