যুব সাথীতে আবেদনের ঢল! কলকাতায় ২ লক্ষ ছাড়াল, রাজ্যজুড়ে ৯ দিনে ৬১ লক্ষের বেশি আবেদন

যুব সাথী প্রকল্পে আবেদনের জোয়ার। কলকাতায় ২ লক্ষ পার, রাজ্যজুড়ে ৯ দিনে ৬১ লক্ষ আবেদন। শীর্ষে মুর্শিদাবাদ, সবচেয়ে কম আবেদন কালিম্পংয়ে।

নজরবন্দি ডিজিটাল ডেস্ক

রাজ্যে বেকারত্ব নিয়ে রাজনৈতিক তরজা চলছেই, আর তার মধ্যেই নজির গড়ছে ‘যুব সাথী’ প্রকল্পে আবেদনের সংখ্যা। মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই বিপুল সাড়া মিলেছে রাজ্য সরকারের এই আর্থিক সহায়তা প্রকল্পে। সরকারি তথ্য অনুযায়ী, ২৩ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত শুধু কলকাতাতেই আবেদন সংখ্যা ২ লক্ষ ছাড়িয়েছে। আর গোটা পশ্চিমবঙ্গে প্রথম ৯ দিনেই আবেদন জমা পড়েছে ৬১ লক্ষেরও বেশি—যা রাজ্যের কর্মসংস্থান পরিস্থিতি নিয়ে নতুন আলোচনা তৈরি করেছে।

রাজ্য সরকারের ঘোষণামতো, আগামী ১ এপ্রিল থেকে মাধ্যমিক পাশ ২১ থেকে ৪০ বছর বয়সি বেকার যুবক-যুবতীদের প্রতি মাসে ১৫০০ টাকা করে আর্থিক সহায়তা দেওয়া হবে ‘যুব সাথী’ প্রকল্পের মাধ্যমে। ১৫ ফেব্রুয়ারি থেকে অনলাইন ও অফলাইনে আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে এবং এখনও আবেদন করার সময়সীমা বাকি থাকায় সংখ্যা আরও বাড়বে বলেই মনে করা হচ্ছে।

কোন জেলায় সবচেয়ে বেশি আবেদন?

প্রথম ৯ দিনের পরিসংখ্যান অনুযায়ী আবেদনের নিরিখে শীর্ষে রয়েছে মুর্শিদাবাদ জেলা। সেখানে আবেদনকারীর সংখ্যা পৌঁছেছে প্রায় ৪.৮২ লক্ষে।
এর পরেই রয়েছে—

অন্যদিকে, সবচেয়ে কম আবেদন জমা পড়েছে কালিম্পং জেলায়, যেখানে আবেদনকারীর সংখ্যা এখনও প্রায় ১৫ হাজারের কাছাকাছি।

কলকাতার পরিসংখ্যান কী বলছে?

প্রথম ৯ দিনেই কলকাতায় ২ লক্ষের বেশি আবেদন জমা পড়ায় অনেকের মতে, শহরাঞ্চলেও বেকারত্বের চাপ বাড়ছে—তার প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে এই সংখ্যায়। বিশেষজ্ঞদের একাংশের মতে, সরকারি আর্থিক সহায়তার প্রয়োজনীয়তা থেকেই বিপুল আবেদন জমা পড়ছে।

রাজনৈতিক তরজা তুঙ্গে

বিরোধীদের দাবি, এই বিপুল আবেদনই রাজ্যের বেকারত্ব সমস্যার প্রকৃত চিত্র তুলে ধরছে। অন্যদিকে শাসকদলের বক্তব্য, চাকরির প্রস্তুতি বা ফর্ম পূরণের খরচের জন্য যাতে যুবক-যুবতীদের পরিবারের উপর নির্ভর করতে না হয়, সেই লক্ষ্যেই এই প্রকল্প চালু করা হয়েছে।

২৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত আবেদন গ্রহণ চলবে। ফলে শেষ দিনে আবেদন সংখ্যা কত দূর পৌঁছবে, তা নিয়ে প্রশাসনিক মহল ও রাজনৈতিক মহল—দুই জায়গাতেই জল্পনা তুঙ্গে।

সবচেয়ে আগে সঠিক খবর, প্রতি মুহুর্তে। আমাদের ফলো করুন
Google News Google News

সদ্য প্রকাশিত