রাজ্যের বেকার যুবক-যুবতীদের জন্য বড় ঘোষণা—মাসে ১৫০০ টাকা করে ভাতা দেবে ‘যুবসাথী’ প্রকল্প। মাধ্যমিক পাস করলেই এই প্রকল্পে আবেদন করা যাবে। নতুন আর্থিক বছর শুরু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই, অর্থাৎ ১ এপ্রিল থেকেই ভাতা দেওয়া শুরু করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে রাজ্য সরকার। ফলে অনেকের কাছেই এটি হতে চলেছে গুরুত্বপূর্ণ আর্থিক সহায়তা। তবে আবেদন করতে গেলে কী কী নথি লাগবে, কোথায় এবং কীভাবে নাম নথিভুক্ত করবেন—সেটা আগে থেকে জেনে রাখা জরুরি।
রাজ্য বাজেটে এই প্রকল্পের ঘোষণা করা হয়েছিল। প্রথমে জানানো হয়েছিল ১৫ অগাস্ট থেকে ভাতা দেওয়া হবে, কিন্তু পরে মুখ্যমন্ত্রী জানান, ১ এপ্রিল থেকেই টাকা দেওয়া শুরু হবে। এই প্রকল্পে পাঁচ বছর পর্যন্ত প্রতি মাসে ১৫০০ টাকা করে দেওয়া হবে বেকার যুবক-যুবতীদের।


কোন নথি লাগবে আবেদন করতে?
যুবসাথী প্রকল্পে আবেদন করার সময় কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ নথি সঙ্গে রাখতে হবে—
-
আধার কার্ড
-
মাধ্যমিক বা সমতুল্য পরীক্ষার অ্যাডমিট কার্ড
-
শিক্ষাগত যোগ্যতার প্রমাণপত্র
-
ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের বিবরণ
-
সাম্প্রতিক পাসপোর্ট সাইজ ছবি
-
সক্রিয় মোবাইল নম্বর
এই নথিগুলির মাধ্যমে আবেদনকারীর পরিচয়, শিক্ষাগত যোগ্যতা এবং ভাতা পাওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যাঙ্ক তথ্য যাচাই করা হবে।
কীভাবে আবেদন করবেন?
-
রাজ্যের ২৯৪টি বিধানসভা কেন্দ্রেই বিশেষ শিবির করা হবে।
-
প্রতিটি এলাকায় একটি করে শিবিরে গিয়ে নাম নথিভুক্ত করা যাবে।
-
১৫ ফেব্রুয়ারি থেকে সরকারি ওয়েবসাইটে আবেদনপত্র পাওয়া যাবে।
-
আবেদনপত্র ডাউনলোড করে সঠিকভাবে পূরণ করে শিবিরে জমা দিতে হবে।
কারা আবেদন করতে পারবেন?
-
বয়স: ২১ থেকে ৪০ বছর
-
শিক্ষাগত যোগ্যতা: ন্যূনতম মাধ্যমিক পাস
-
আবেদনকারীকে বেকার বা কর্মহীন হতে হবে
সরকারি আধিকারিকরা যাচাই করে দেখবেন আবেদনকারী সত্যিই কর্মহীন কি না।
কতদিন ভাতা পাওয়া যাবে?
-
সর্বোচ্চ ৫ বছর
-
প্রতি মাসে ১৫০০ টাকা করে
পাঁচ বছরের মধ্যে যদি চাকরি বা কর্মসংস্থান না হয়, তাহলে পরবর্তীতে আবেদন করলে তা বিবেচনা করা হবে।
অন্য প্রকল্পের টাকা পেলে কী হবে?
-
স্বামী বিবেকানন্দ মেরিট স্কলারশিপ, মেধাশ্রী বা শিক্ষাশ্রীর মতো স্কলারশিপ পেলে যুবসাথীতে আবেদন করা যাবে।
-
তবে লক্ষ্মীর ভাণ্ডার বা কৃষক বন্ধুর মতো অন্য ভাতা পেলে একই সঙ্গে যুবসাথীর টাকা পাওয়া যাবে না।









