নজরবন্দি ব্যুরোঃ কোভিড বিধি মেনেই মুখ্যমন্ত্রীর বাড়িতে পুজো। কোভিড বিধি মেনেই মুখ্যমন্ত্রীর বাড়িতে কালীপুজো হল। এই একটা মাত্র দিনেই যে কোনও প্রান্তের মানুষ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়-এর বাড়িতে আসতে পারেন। তাঁকে দেখার জন্য ভিড়ও কিছু কম থাকে না। সঙ্গে সামিল হন মন্ত্রী-আমলা থেকে শুরু করে শহরের বুদ্ধিজীবীরাও। কিন্তু এবারের কালীপুজো ছিল একটু অন্যরকম। করোনা পরিস্থিতির জেরে ভিড় ছিল অনান্যবারের তুলনায় অনেকটাই কম। গুরুত্ব অনুযায়ী সমস্ত বিধি মেনে নিজের বাড়ির পুজো সারলেন মুখ্যমন্ত্রী।
আরও পড়ুনঃ মাল্টি অর্গান ফেলিওর সৌমিত্র-র, অফিশিয়ালি দুঃসংবাদ যে কোন মুহুর্তে।
তবে উপস্থিত ছিলেন ভাইপো অভিষেক বন্দোপাধ্যায়ও। এই দিনে যাঁরা তাঁর বাড়ি গিয়েছেন, তাঁদের কাছে একেবারে অচেনা ছিল শনিবার সন্ধের দৃশ্য। নিরাপত্তা বলয় পেরিয়ে কালীঘাটে মুখ্যমন্ত্রীর বাড়ি ঢুকলেই দেখা যায় একেবারে ‘ভিভিআইপি মুভমেন্ট’। কে থাকেন না সেখানে। আগের বছর রাজ্যপালেরও উপস্থিতি ছিল। থাকেন রাজ্যের সর্বোচ্চ স্তরের আমলারা। একেবারে সপিরবারে। থাকেন মন্ত্রী, বিধায়করা। যেখানে পুজোর আয়োজন হয় তার ঠিক উলটোদিকের একটা হলঘরে প্রবীণদের বসার ব্যবস্থা থাকে।
মুখ্যমন্ত্রীর কথামতো তা রাখতেই হয় মন্ত্রী ইন্দ্রনীল সেনকে। সবমিলিয়ে চলে জমজমাট আড্ডা। করোনার জেরে এবার ছবিটা আমূল বদলে গিয়েছে। সকালেই এদিন রাজ্যবাসীকে কালীপুজো ও দীপাবলির শুভেচ্ছা জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। কিন্তু স্বাস্থ্যবিধির জন্য বাড়িতে অতিথিদের আসার ক্ষেত্রে ছিল কিছু নিয়ন্ত্রণ। বয়সের কারণে আনা হয়নি বৃদ্ধাশ্রমের কাউকে। অতিথি বলতে শুধু পরিবারের সদস্য আর দলীয় নেতৃত্বের মধ্যে হাতে গোনা দু-একজন।
কোভিড বিধি মেনেই মুখ্যমন্ত্রীর বাড়িতে পুজো। ভাইপো অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের পরিবারে নতুন অতিথি তাঁর ছেলে। কোলে কোলে ঘুরেছে সেও। কখনও নিজেই তাকে কোলে টেনে নিয়ে বসিয়েছেন মমতা। এসবের মধ্যেও সদা সতর্ক। যেখানে সেখানে স্যানিটাইজ না করে বসে পড়তে বারবার রাজ্যবাসীকে বারণ করেন। নিজেও সেই বিধি মেনেছেন। চট করে কেউ কিছুতে হাত দিলে সঙ্গে সঙ্গে স্যানিটাইজার ঢেলেছেন। যে ক’জন এসেছেন তার মধ্যেই চলেছে আতিথেয়তা। রাত বাড়তে সপরিবারে বসেছেন পুজোয়।








