নজরবন্দি ব্যুরোঃ অনেক প্রভাবশালীর চিকিৎসা হচ্ছে উডবার্ন ওয়ার্ডে। কিন্তু জেলে থাকা অবস্থায় আমার দাঁতের যন্ত্রণার চিকিৎসা হয়নি। এখন এসএসকেএমের উডবার্ন ওয়ার্ড এখন কয়েদিদের আশ্রয়স্থল। সোমবার আদালতে বিস্ফোরক মন্তব্য করলেন কুণাল ঘোষ। নাম না করলেও এই আক্রমণ রাজ্যের শাসক দলের বিরুদ্ধে তা নিয়ে কোনও সন্দেহ থাকে না।
আরও পড়ুনঃ আমাকে স্মরণ করাতে হবে না আমি মন্ত্রী নই, ফিরহাদকে তোপ কুণালের
তৃণমূলের রাজ্য সম্পাদকের কথায়, আইকোর মডেলকে যিনি তুলে ধরেছিলেন, তিনি আজ মন্ত্রী। তিনিই তখন আমাকে পাগল বলেছিলেন। তিনি এখন দিব্যি ঘুরে বেড়াচ্ছেন। তাঁকে ঘাড় ধরে জেলে ঢোকানো উচিত। যাঁদের নাম সুদীপ্ত সেনের চিঠিতে আছে, তাঁরা দল বদলে ঘুরে বেড়াচ্ছেন ! এদিন আবেগতাড়িত হয়ে কেঁদেও ফেলতে দেখা যায় তাঁকে।

সম্প্রতি নিজেরই দলের একাধিক নেতাদের বিরুদ্ধে সরব হতে দেখা গেছে কুণাল ঘোষকে। আদালতে এদিন মন্ত্রীর নাম না উল্লেখ্য করলেও উডবার্ন ওয়ার্ড প্রসঙ্গে তৃণমূলের বীরভূম জেলার সভাপতি অনুব্রত মণ্ডলের বিরুদ্ধে তিনি যে সরব হয়েছেন, এবিষয়ে কোনও সন্দেহ নেই। কারোণ, গরুপাচার কাণ্ডে কলকাতা হাইকোর্টের তরফে রক্ষাকবচ না পেতেই হাজিরার দিনে উডবার্ন ওয়ার্ডে ভর্তি হন কেষ্ট। অতএব তাঁর দিকেই ছিল কুণালের আক্রমণের তীর।
অন্যদিকে, শিক্ষক নিয়োগ ইস্যুতে রাজ্যের মন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে সরব হতে দেখা যায় কুণাল ঘোষকে। প্রকাশ্যে ক্ষোভ উগড়ে দিয়ে বুঝিয়ে এন দলেরই অন্দরে আড়াআড়ি বিভাজন হতে চলেছে। কিন্তু ড্যামেজ কন্ট্রোল দেওয়ার চেষ্টা করেন ফিরহাদ হাকিম। এবার তাঁকেও নিশানা করেন কুণাল।
উডবার্ন ওয়ার্ড এখন কয়েদিদের আশ্রয়স্থল, অনুব্রতকে নিশানা করলেন কুণাল

আমাকে স্মরণ করাতে হবে না আমি মন্ত্রী নই। আমার কোনও হ্যাংলামি নই। মন্ত্রী হতে না পারলে, যাদের জীবন অসম্পূর্ণ, এসব তাদের দেখাবেন। এসব মন্ত্রী, বিধায়ক, সাংসদ দেখাবেন না। আমাকে জীবন যা দেখিয়েছে, আমি তার উর্ধ্বে রয়েছি। ফিরহাদ হাকিমের মন্তব্যের পাল্টা আক্রমণ কুণাল ঘোষের।



