নজরবন্দি ব্যুরো : করোনার ঝুঁকি এড়াতেই বাতিল হতে পারে, দিল্লিতে চলছে করোনার তৃতীয় ঢেউ। দিনে দিনে বাড়ছে সংক্রমণ। তাছাড়াও উৎসবের মরশুমে শীতকালে রাজধানীর বিষাক্ত আবহাওয়ায় সংক্রমণ সহজেই নিয়ন্ত্রণে আসা কঠিন। ফলে এই ঝুঁকি না নিয়েই, সংসদের শীতকালীন আগামী অধিবেশন বাতিল করতে পারে কেন্দ্র এবং এরই দরুণ আগামী বছর বাজেট অধিবেশন অনেকটাই দীর্ঘায়িত হতে পারে।
আরও পড়ুনঃ নারকীয়!ধর্ষণ ও তন্ত্রসাধনায় খুনের পর শিশুকন্যার লিভার কাটল অভিযুক্তরা
ইতিমধ্যেই, চলতি বছরে সংসদে দুইটি অধিবেশনেই পড়েছে করোনার প্রভাব। বাজেট অধিবেশন চলাকালীনই ভারতে শুরু হয় সংক্রমণ। তারপরে বাদল অধিবেশন নিয়েও চলে টানাপোড়েন। তবে এই অধিবেশন হলেও এখনও পর্যন্ত পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়নি। বাদল অধিবেশনের পর কমবেশি মোট ৪০ জন সাংসদ করোনায় আক্রান্ত হন। সূত্রে খবর দিল্লির এই পরিস্থিতি দেখে এখনই কোনোরকম অধিবেশন করার ঝুঁকি নিতে চাইছে না কেন্দ্রীয় সরকার।
করোনার ঝুঁকি এড়াতেই বাতিল হতে পারে, নিয়ম মাফিক শীতকালীন অধিবেশনের শুরু তিন সপ্তাহ আগেই কেন্দ্রীয় মন্ত্রীসভায়, সাংসদীয় কমিটির বৈঠক হয়। আর সেই বৈঠকেই স্থির হয়, কবে থেকে সংসদ চালু হবে এবং কতোদিন চলবে। আর সেই প্রস্তাব পাঠানো হয় রাষ্ট্রপতির কাছে। অধিবেশন শুরুর ২ সপ্তাহ আগে সাংসদে নোটিশ দেওয়া হয়। হিসেব মতোন এইসময়ই মন্ত্রীসভার বৈঠক শুরু হয়ে যাওয়ার কথা।
এবছর সেইটাও ডাকা হয়নি। ফলে করোনাকালেই এখনও বৈঠক ডাকার কোনো সম্ভবনাই নেই। সূত্রে খবর, বিরোধীদের মতামতলর ভিত্তিতেই অধিবেশন বাতিলের সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে। এবিষয়ে এক কেন্দ্রীয়মন্ত্রী একটি সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, এর শেষ সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে করোনার পরিস্থিতির উপর নির্ভর করে।
শেষ সিদ্ধান্তে শীতকালীন অধিবেশন সম্ভব না হলে, আগামীবছর বাজেট অধিবেশনে সেইটার সঙ্গে মিলিয়ে দেওয়া হতে পারে। প্রসঙ্গত, এ বছর যদি শীতকালীন অধিবেশন না হয়, সেটা হবে স্বাধীন ভারতের ইতিহাসে চতুর্থবার। এর আগে ১৯৭৫, ১৯৭৯ এবং ১৯৮৪ সালে বিভিন্ন কারণে সংসদের শীতকালীন অধিবেশন হয়নি।



