নজরবন্দি ব্যুরোঃ লকডাউনের সময় বন্ধ ছিল মদের দোকান। ফলে সুরা প্রেমীদের মধ্যে হাহাকার রব উঠেছিল। তারপর সরকারি স্তরে অনেক আলোচনার পর লকডাউনের তৃতীয় দফায় বিশেষ কর বসিয়ে খোলা হয়েছিলো মদের দোকান। এর ফলে বিভিন্ন মানুষ কেন্দ্রীয় ও রাজ্য সরকারগুলির সমালোচনাও শুরু করেন।


সোশ্যাল মিডিয়াতে ঘুরতে থাকে নানান মিম।যদিও এই পদক্ষেপ অর্থনীতির হাল ফেরাতে অত্যন্ত জরুরি ছিল বলে মন্তব্য করেন বিশেষজ্ঞরা।আর সেটা প্রমাণ হয়েছিলো দোকান খোলার সাথে সাথে। দেশের অন্য রাজ্যের মতো আমাদের রাজ্যও এক দিনে ১০০ কোটির টাকার মদ বেচে সংবাদের শিরোনামে উঠে এসেছিল।বিভিন্নি সংবাদ মাধ্যমে মানুষ দেখেছিল লম্বা লাইন। কিন্তু এক মাস পরেই বদলে গিয়েছে সেই ছবি। রাজ্যজুড়ে ক্রমশই কমছে মদের বিক্রি।
এপ্রসঙ্গে রাজ্য আবগারি দপ্তরের এক আধিকারিক জানান, দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পর যখন মদের দোকান খুলেছিল তখন মানুষের মধ্যে প্রচুর উৎসাহ দেখা গিয়েছিল। প্রচুর বেচাকেনা হচ্ছিল। কিন্তু, গত দুমাসে সেই ছবিটা বদলে গিয়েছে। এখন আর আগের মতো বিক্রি হচ্ছে না। গত ২ মাসে ৩৫০ কোটি টাকা করে মোট ৭০০ কোটি টাকার রাজস্ব আদায় হয়েছে। কিন্তু, লকডাউন শুরু হওয়ার আগে প্রতিমাসে ৯৫০ কোটি টাকার রাজস্ব আদায় হচ্ছিল। তাতে দেখা যাচ্ছে মূলত কমদামি বিদেশি মদ ও দেশি মদের বিক্রি একদম তলানিতে এসে ঠেকেছে।
এই ঘটনার ফলে রাজ্যের কোষাগারেও টান পড়েছে বলে জানা গিয়েছে অর্থদপ্তর সূত্রে। এর কারণ হিসেবে ধরা হচ্ছে দীর্ঘ ৪ মাস লকডাউন থাকার ফলে মানুষের আয় অনেকটা কমে গিয়েছে জার ফলে সাধারণ মানুষ গ্যাঁটের কড়ি খরচা করে মদ বিলাসিতায় শামিল হতে পারছেন না। ফলে দেশ বা রাজ্যের আর্থিক সমৃদ্ধিতে তাঁদের অবদান এখন তলানিতে ঠেকেছে সেই সঙ্গে রাজ্যের রাজস্বও।










