নজরবন্দি ব্যুরোঃ শিক্ষাক্ষেত্রে নিয়োগ দুর্নীতিতে তোলপাড় রাজ্য। এরই মধ্যে উঠে এল চাঞ্চল্যকর তথ্য। স্বাস্থ্য ক্ষেত্রে নিয়োগ কমিটি নিয়ে এবার প্রশ্ন তুলল কলকাতা হাইকোর্ট। চুক্তি ভিত্তিক নিয়োগ কমিটিতে কেন তৃণমূলের নেতা, বিধায়করা? নিয়োগ কমিটিতে কেন তৃণমূলের নেতারা? তা নিয়েই কলকাতা হাইকোর্টে মামলা দায়ের হয়েছিল। এবার সেই মামলায় রাজ্যের কাছ থেকে হলফনামা চাইল কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি প্রকাশ শ্রীবাস্তভের ডিভিশন বেঞ্চ।
আরও পড়ুনঃ কলকাতা থেকে উদ্ধার লক্ষ লক্ষ টাকা, হাওয়ালা যোগ, খুঁজছে সিআইডি
মামলাকারীর বক্তব্য, চুক্তিভিত্তিক নিয়োগের জন্য প্রতিটি জেলায় একটি করে কমিটি গঠন করা হয়। সম্প্রতি স্বাস্থ্যক্ষেত্রে প্রায় সাড়ে ১১ হাজার নিয়োগ করা হয়েছে। প্রত্যেকটি জেলা কমিটিতে কেন তৃণমূলের নেতারা উপস্থিত থাকবেন? প্রশ্ন তুলেছেন তিনি। এখানেই শেষ নয়, চিকিৎসকদের ছেড়ে কেন তৃণমূল নেতাদের রাখা হয়েছে? প্রশ্ন তুলেছেন মামলাকারী ।

একেবারে স্পষ্ট করে আদালতের কাছে মামলাকারী জানিয়েছেন, ওই কমিটির কোনও চেয়ারম্যান শেখ সুফিয়ান, আবার কোনও চেয়ারম্যান জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক অথবা চন্দ্রনাথ সিনহা। এরা প্রত্যেকেই সরকারের সঙ্গে যুক্ত অথবা তৃণমূলের কোনও পদাধিকারী। কেন এদের নিয়োগ কমিটির মাথায় বসানো হবে? প্রশ্ন তুলেছেন মামলাকারী। তাঁর বক্তব্য, এর মাধ্যমে তৃণমূল নেতাদের স্বজনপোষন করা হতে পারে।
মঙ্গলবার মামলা গ্রহণ করেন হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি প্রকাশ শ্রীবাস্তব ও বিচারপতি রাজর্ষী ভরদ্বাজের ডিভিশন বেঞ্চ। আদালতের তরফে জানানো হয়েছে, কমিটির নিয়োগ সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত এই মামলার ভবিষ্যতের উপর নির্ভর করবে। কেন এই কমিটি করা হল, নিয়োগের ক্ষেত্রে এই কমিটির ভূমিকা কতটা। আগামী দুই সপ্তাহের মধ্যে তা হলফনাম আকারে জমা দিতে হবে। মামলার পরবর্তী শুনানি ৫ সেপ্টেম্বর।
নিয়োগ কমিটিতে কেন তৃণমূলের নেতারা? রাজ্যের বক্তব্য চাইল হাইকোর্ট

স্বাস্থ্য ভবন সূত্রে খবর, নিয়োগের ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য ২০২১ সালের ১৬ নভেম্বর ওই সিলেকশন কমিটি গঠন করা হয়। শাসকদলের বিধায়ক এবং মন্ত্রীদের রাখা হয়েছে ওই কমিটিতে। জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক, চন্দ্রনাথ সিনহা, বিনয়কৃষ্ণ বর্মণের মতো মন্ত্রীরা রয়েছেন ওই কমিটিতে।



