নজরবন্দি ব্যুরোঃ কিছুদিন আগেই কন্ডোম নিয়ে একটা খবর দানা বেঁধে ছিল। লাগাতার বৃষ্টির ফলে পণ্ড হয়েছিল আইপিএল ফাইনাল। ফলে সেই সুযোগের সদ ব্যাবহার করেছেন তরুণরা। সেই রাতে নাকি হু হু করে বিক্রি হয়েছে কন্ডোম। তবে শুধু এই ঘটনাই নয়। এর মধ্যে আরও একটি ঘটনা ভেসে আসে।
আরও পড়ুনঃ এবার রিয়্যালিটি শোতে স্যান্ডি সাহা, MTV Roadies-এর সঞ্চালক হিসেবে দেখা যাবে তাঁকে


যানা যায় একটি নির্দিষ্ট এলাকা থেকে একটু বেশি পরিমানেই কন্ডোম চলছে। তাও এক আধদিন নয় প্রায় অনেকদিন ধরেই। কন্ডোমের ক্রয় দেখে দোকানিদের মনে সন্দেহের বাসা বাঁধে। তাঁদের মনে হতে থাকে নিশ্চয়ই অন্য কোন কারণ রয়েছে। আরও সন্দেহ বাড়ার কারণ হল ক্রেতাদের মধ্যে কারোরই সাধারণ কন্ডোম পছন্দ নয়। সবারই ফ্লেভারড কন্ডোমের প্রতি বেশি ঝোঁক।

স্ট্রবেরি বা চকোলেট ফেল্ভারড কিংবা অন্য কোন সুবাসের কন্ডোম কেনার হাত ক্রমেই বৃদ্ধি পাচ্ছে। তাই দুয়ে দুয়ে চার করে তাঁদের বুঝে নিতে অসুবিধা হয়নি যে স্রেফ সঙ্গমের নেশা নয়। এর নেপথ্যে রয়েছে অন্য কারণ। রসায়নবিধরা জানিয়েছেন সুগন্ধী বা ফ্লেভারড কন্ডোম কেনার বহু কারণ রয়েছে।


লাগাতার বেড়ে চলছে তরুণদের মধ্যে কন্ডোম ক্রয়ের হার! কিন্তু কেন!

কারণ কন্ডোম গরমজলে বেশ কিছুক্ষণ ভিজিয়ে রাখলে সেখান থেকে অ্যালকোহলিক যৌগ তৈরি। ফলে যা দিয়ে তৈরি হয় সুগন্ধি তা ভেঙ্গে গিয়ে রাসায়নিক বিক্রিয়ার ফলে নেশার বস্তুতে পরিনত হয়। তাঁরা সন্দেহ করছে হয়তো কন্ডোম থেকে এই যৌগ নিষ্কাশন করে নিয়েই তা নেশার কাজে ব্যবহার করে থাকেন তরুনেরা। সেই কারণেই তাঁদের কন্ডোমের প্রতি এতো ঝোঁক।







