Sukanta Majumder: পরেশকে মন্ত্রীপদ থেকে সরানো হচ্ছে না কেন? মমতাকে প্রশ্ন সুকান্তর

নজরবন্দি ডিজিটাল ডেস্ক

নজরবন্দি ব্যুরোঃ শিক্ষাক্ষেত্রে নিয়োগ দুর্নীতি নিয়ে পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ জমা পড়তেই তাঁকে মন্ত্রীপদ থেকে সরিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিল তৃণমূল। পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হলে পরেশ অধিকারীর বিরুদ্ধে নয় কেন? এই প্রশ্ন তুলে সরব হলেন রাজ্য বিজেপির সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। তাঁর বক্তব্য, পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে মন্ত্রীপদ থেকে সরানো হলে, পরেশকে মন্ত্রীপদ থেকে সরানো হচ্ছে না কেন?

আরও পড়ুনঃ Partha-Arpita: কাঁদতে কাঁদতে মাটিতে লুটিয়ে পড়লেন অর্পিতা, হুইল চেয়ারে বসে নীরব দর্শক পার্থ।

এদিন ট্যুইট করে বিজেপি সাংসদ বলেন, রাজ্যের শিক্ষা প্রতিমন্ত্রীপদে থেকে ক্ষমতার অপব্যবহার করছেন পরেশ অধিকারী। তাই তাঁর মেয়েকে চাকরী দিয়েছেন তিনি। এমনকি হাইকোর্টের নির্দেশে চাকরী খুইয়েছেন পরেশ কন্যা। তবুও এখনও তাঁকে পদে রাখা হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কখন ব্যবস্থা নেবেন প্রশ্ন সুকান্তর।

পরেশকে মন্ত্রীপদ থেকে সরানো হচ্ছে না কেন? দুর্নীতিতে সওয়াল বিজেপির 
পরেশকে মন্ত্রীপদ থেকে সরানো হচ্ছে না কেন? দুর্নীতিতে সওয়াল বিজেপির 

একইসঙ্গে সরব হয়েছেন বিজেপি নেতা অমিত মালব্য। তিনি বলেন, শিক্ষাক্ষেত্রে দুর্নীতি বিষয় অনেকটা গভীরে। আদালতের নির্দেশে চাকরী হারিয়েছেন অঙ্কিতা অধিকারী। যিনি রাজ্যের শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী পরেশ অধিকারীর কন্যা। কেন তাঁকে এখনও মন্ত্রীপদে রাখা হয়েছে? মুখ্যমন্ত্রীর দিকে প্রশ্ন ছুঁড়ে দিয়েছেন তিনি।

উল্লেখ্য, ২০১৮ সালে মেখলিগঞ্জ ইন্দিরা বালিকা বিদ্যালয়ে চাকরী পান অঙ্কিতা অধিকারী। তাঁর বিরুদ্ধে বেআইনি নিয়োগের অভিযোগ এনেছিলেন ববিতা সরকার। পরবর্তীকালে আদালতের নির্দেশ সেই চাকরি হারাতে হয় অঙ্কিতা অধিকারীকে। ২ কিস্তিতে মন্ত্রী কন্যা অঙ্কিতা অধিকারীকে বেতনের টাকা ফেরতের নির্দেশ দিয়েছেন কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। হাইকোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী প্রথম কিস্তির টাকা জমা দিয়েছেন অঙ্কিতা। আর এবার সেই টাকা চলে গেল ববিতার অ্যাকাউন্টে।

পরেশকে মন্ত্রীপদ থেকে সরানো হচ্ছে না কেন? দুর্নীতিতে সওয়াল বিজেপির 

পরেশকে মন্ত্রীপদ থেকে সরানো হচ্ছে না কেন? দুর্নীতিতে সওয়াল বিজেপির 
পরেশকে মন্ত্রীপদ থেকে সরানো হচ্ছে না কেন? দুর্নীতিতে সওয়াল বিজেপির 

প্রায় ৪৩ মাস ধরে অঙ্কিতা বেতন বাবদ যে টাকা পেয়েছেন তা ফেরত দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে আদালত। প্রথম কিস্তিতে ১ হাজার ৮৭ টাকা সুদ-সহ মোট ৭ লক্ষ ৯৮ হাজার ২৯৯ টাকা পেয়েছেন ববিতা। দ্বিতীয় কিস্তির প্রায় ৭ লক্ষ টাকা ইতিমধ্যেই হাইকোর্টে জমা দিয়েছেন মন্ত্রীকন্যা অঙ্কিতা অধিকারী। দ্বিতীয় কিস্তির টাকা নিয়ে দ্রুত সিদ্ধান্ত জানানো হবে বলে জানিয়েছেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়।

সবচেয়ে আগে সঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে

Google News Google News এবং Google Discover Google Discover -এ নজরবন্দি-কে Follow করে রাখুন।

সদ্য প্রকাশিত

এই ক্যাটেগরির আরও খবর