নজরবন্দি ব্যুরোঃ ইডি হেফাজতে থাকাকালীন প্রতি ৪৮ ঘণ্টা অন্তর পার্থ-অর্পিতার স্বাস্থ্য পরীক্ষা করানোর নির্দেশ দিয়েছিল কলকাতা হাইকোর্ট। সেই মত সিজিও-য় টানা জেরার পর আজ ফের জোকা ইএসআই হাসপাতালে স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য আনা হয় পার্থ চট্টোপাধ্যায় ও অর্পিতা মুখোপাধ্যায়কে। সেই হাসপাতালে ঢোকার মুখেই হুলস্থুল কান্ড হল আজ।
আরও পড়ুনঃ খুশির খবর দক্ষিণবঙ্গে, চোখ রাঙাচ্ছে ঘূর্ণাবর্ত, ভারী বৃষ্টি সতর্কতা রাজ্যে

এদিন হাসপাতালে ঢোকার মুকে গাড়িতে বসেই হাউহাউ করে কাঁদতে থাকেন অর্পিতা। কিছুক্ষন পর একটু ধাতস্থ হলে, গাড়ি থেকে নামতে যান তিনি। সেই সময় মাটিতে পড়ে যান আচমকাই। পরে কেন্দ্রীয় বাহিনীর মহিলা জওয়ানরা কোনওক্রমে তাঁকে টেনে তোলেন। সেই সময়েও হাউহাউ করে কাঁদতে থাকেন পার্থ সাথী। এর পরে ইডির জওয়ান ও হাসপাতাল কর্মীরা তাঁকে টেনে নিয়ে যায় ভিতরে। হাউহাউ করে কাঁদতে কাঁদতেই হাসপাতালে ঢোকেন তিনি।

হুইল চেয়ারে বসিয়ে হাসপাতালে ঢোকানো হয় অর্পিতাকে। অন্যদিকে, পার্থ চট্টোপাধ্যায়কেও গাড়ি থেকে নামিয়ে হুইল চেয়ারে বসিয়েই হাসপাতালে ঢোকানো হয়। অর্পিতা কান্নাকাটি করলেও পার্থ চট্টোপাধ্যায় একেবারেই নীরব ছিলেন। আগের দিন মন্ত্রীত্ব ছাড়ার প্রশ্নে যেভাবে পাল্টা প্রশ্ন করেছিলেন পার্থ এদিন তাঁর ছিটে ফোটাও দেখা যায়নি।
কাঁদতে কাঁদতে মাটিতে লুটিয়ে পড়লেন অর্পিতা, হুইল চেয়ারে বসে নীরব দর্শক পার্থ।

গতকালই পার্থ খুইয়েছেন মন্ত্রীত্ব, হারিয়েছেন দলের সবকটি পদ। আশা করা হচ্ছিল সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে কিছু বলবেন তিনি। কিন্তু তেমনটা হয়নি। এমনকি কুণাল ঘোষ যে কথা জোর দিয়ে বলেছিলেন, ‘কথা বলার সুযোগ পেয়েও কেন পার্থ বলছেন না আমি নির্দোষ।’ সেইভাবে নিজেকে নির্দোষ এই দাবিও করেননি পার্থ চট্টোপাধ্যায়। তবে একবারই শুধু তাঁর মুখ থেকে বেরিয়েছে, “আমি ষড়যন্ত্রের শিকার হয়েছি।”



