নজরবন্দি ব্যুরোঃ সাংসদ শত্রুঘ্ন সিনহা নিখোঁজ। এমনই পোস্টার পড়ল আসানসোলের কুলটিতে। ছট পুজোতেও বিহারীবাবুর দেখা না পেতেই শিল্পাঞ্চলে পড়ল পোস্টার। মূলত ছট ঘাট এলাকাগুলিতে এই পোস্টার পড়তেই রাজনৈতিক চাপানুতোর শুরু হয়েছে।
আরও পড়ুনঃ Partha Chaterjee: দুর্নীতির ক্ষেত্রে টিম গেম খেলত পার্থ, পথের কাঁটা হলেই সরিয়ে দেওয়া হত
পোস্টারগুলি প্রত্যেকটি হিন্দিতে লেখা। সেখানে লেখা রয়েছে, মাননীয় সাংসদ শত্রুঘ্ন সিনহা বিহারীবাবু নামে পরিচিত। কিন্তু বিহারীদের সব থেকে বড় ছট পুজো উপলক্ষে নিজের লোকসভা কেন্দ্রে সাংসদ নিখোঁজ। আসানসোলের বিহারী জনতার তরফে এই পোস্টার দেওয়া হয়েছে। এই পোস্টার নিয়ে শত্রুঘ্ন সিনহাকে কটাক্ষ করতে পিছপা হয়নি বিজেপি।

বিজেপির সর্বপভারতীয় সহ-সভাপতি দিলীপ ঘোষের কথায়, উনি মন্ত্রী থাকতেও বিদেশে ঘুরতেন। সাংসদ থাকতেও তা-ই। তাঁকে যাঁরা পছন্দ করেছেন, তাঁদের এটা মেনে নিতেই হবে। সেইজন্য উনি বিজেপিতে টিকতে পারেননি। কারণ, এখানে খেটে কাজ করে, লোকের সঙ্গে থেকে রাজনীতি করতে হয়। যে পার্টিতে উনি গেছেন, সেই পার্টিতে অনেক নেতা-কর্মী নিখোঁজ আছেন। অনেকে ভেতরে চলে গেছেন। সেই কালচারের লোক। ঠিকই আছে।
উল্লেখ্য, কিছু মাস আগেই কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সহ বিজেপির সাংসদ পদ ত্যাগ করেন আসানসোলের প্রাক্তন সাংসদ বাবুল সুপ্রিয়। তিনি এখন তৃণমূলে। এরপর আসানসোলের লোকসভা থেকে তৃণমূলের টিকিটে জয়লাভ করে ইতিহাস গড়েন শত্রুঘ্ন সিনহা। কিন্তু তাঁরই লোকসভা কেন্দ্রে উপস্থিতি নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।
সাংসদ শত্রুঘ্ন সিনহা নিখোঁজ, শিল্পাঞ্চলে শোরগোল

বিষয়টি নিয়ে তৃণমূল কাউন্সিলার সেলিম আনসারির দাবি, শত্রুঘ্ন সিনহা গত মে মাসেই আসানসোলে এসেছিলেন। সাংসদের প্রতিনিধি হয়ে মেয়র কাউন্সিলররা তো সবকিছু দেখছেন। ছটঘাট পরিষ্কার, রাস্তাঘাট সংস্কার সবই করানো হয়েছে। সাংসদের বাড়িতে হয়তো পুজো রয়েছে। সেকারণেই উনি আসতে পারেননি।



