নজরবন্দি ব্যুরোঃ ২১ জুলাই শহিদ দিবসের পর ২০২৪-এ লোকসভা নির্বাচন। এবার পঞ্চায়েত নির্বাচনে বিপুল জয়ের পর বিরোধীদের অভিযোগ ভোট লুট ও সন্ত্রাসের। আগের বছরের মত এবছর আগামী ভোটের আগে শেষ শহীদ দিবস। সদ্য বেঙ্গালুরুতে বিজেপি বিরোধী জোট ‘ইন্ডিয়া’ গঠন করা হয়েছে। বেঙ্গালুরুর সভায় হাজির ছিলেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
আরও পড়ুনঃ জল্লাদের উল্লাসমঞ্চ আমার দেশ না! পঞ্চায়েত হিংসার দায় সরাসরি মমতাকে দিলেন অপর্ণা
আর এই জোটে সামিল হয়েছে কংগ্রেস ও সিপিএমও। ফলে এবার তাঁর ভাষণে বিজেপি বিরোধিতার সাথে কং বাম বিরোধিতা কতটা থাকবে সেটার দিকে লক্ষ্য থাকবে সবার। যে হেতু সর্বভারতীয় স্তরে একটি জোট দানা বাঁধছে, সে ক্ষেত্রে মমতা বাম-কংগ্রেসের প্রতি খানিকটা নমনীয় হতে পারেন? এ নিয়ে রয়েছে জল্পনা।

তৃণমূল কী অবস্থান নিতে চলেছে তা শুধু ২১ জুলাইয়ের সমাবশেই স্পষ্ট হয়ে যাবে। অপর দিকে নজর থাকবে অভিষেকের বক্তব্যের দিকেও। গতবার দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক হিসাবে প্রথম শহিদ দিবসে ভাষণ দিলেও এখন তৃণমূলে তাঁর কতৃত্ব প্রশ্নাতীত।

এবার পঞ্চায়তে নির্বাচনে তিনিই সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছেন দলকে। আর রাজ্যে ব্যপক ফল করেছে দল। ফলে এবছর তাঁর ভাষণের দিকে তাকিয়ে থাকবেন রাজ্যের সব জেলা থেকে আসা নেতা কর্মীরা। অপর দিকে বিরোধী জোট ইন্ডিয়া তৈরি হলেও রাজ্য স্তরে তৃণমূল বিরোধী আন্দোলন সমান ভাবে জারি থাকবে বলে ঘোষণা করে দিয়েছেন বাম-কং নেতারা।
লোকসভা নির্বাচনের আগে শেষ শহিদ দিবস, কী বার্তা দেন তৃণমূলনেত্রী, সে দিকেই তাকিয়ে কর্মীরা

সিপিএমের রাজ্য সম্পাদক মহম্মদ সেলিম সাংবাদিক বৈঠক করে নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করে দিয়েছেন। সেলিম জানিয়ে দিয়েছেন, এখানে তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে লড়াই অব্যাহত থাকবে। এই পরিস্থিতিতে তৃণমূলের ২১ জুলাইয়ের কর্মসূচি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। ফলে লোকসভা ভোটের আগে শেষ শহীদ দিবসের মঞ্চ থেকে কী বার্তা দেন মমতা ও অভিষেক তার দিকে নজর থাকবে সক্কলের।



