নজরবন্দি ব্যুরোঃ বৈবাহিক ধর্ষণ প্রসঙ্গে এবার কিছুটা বিভাজিত রায় দিল দিল্লি হাইকোর্ট। মূলত Marital rape অপরাধমূলক কাজ কি না সেই প্রসঙ্গে হাইকোর্টে আবেদন জমা পড়েছিল। এদিকে সেই আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আদালত কার্যত দ্বিধাবিভক্ত রায় ঘোষণা করল। ৩৭৫ ধারার ২ অনুচ্ছেদের প্রসঙ্গও আসে শুনানিতে।
আরও পড়ুনঃ UP-র পর এবার কর্ণাটক, লাউডস্পিকার নিয়ে নির্দেশিকা জারি


যেখানে বলা হচ্ছে, বৈবাহিক ধর্ষণ অপরাধ নয় যদি না স্ত্রী ১৮ বছরের কম হয়। জানা গিয়েছে, বৈবাহিক ধর্ষণকে অপরাধের ক্যাটাগরিতে রাখার পক্ষে ছিলেন বিচারপতি রাজীব। তবে বিচারপতি হরিশঙ্কর এই বিষয়ে সহমত ছিলেন না। বিচারপতি রাজীব বলেন যে ইচ্ছা ছাড়াই স্ত্রীর সাথে শারীরিক সম্পর্কের জন্য স্বামীর বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা হওয়া উচিত। কিন্তু বিচারপতি হরিশঙ্কর এই ধারণার সঙ্গে একমত হননি।

এই রায় নিয়ে দুই বিচারপতি আইন নিয়ে ভিন্ন মত পোষণ করেন, বিচারপতি রাজীব জানিয়েছেন, IPC 375 সংবিধানের ধারা মানছে না। অন্যদিকে জাস্টিস সি হরিশংকর সেকশন ৩৭৬বি ও ১৯৮বির কথা তুলে ধরেন। তাঁর মতে, এটি কোনও আইন ভাঙছে না। এটি ঠিকই আছে। পাশাপাশি আদালত জানিয়ে দিয়েছে, আবেদনকারীরা এবার সুপ্রিম কোর্টে যেতে পারেন।



উল্লেখ্য এদিকে ২০২২ সালে জানুয়ারি মাসে কেন্দ্রীয় সরকার জানিয়ে দিয়েছিল, সবার সঙ্গে কথা না বলে বৈবাহিক ধর্ষণকে অপরাধ বলতে পারব না।এদিকে মন্ত্রী স্মৃতি ইরানি লোকসভায় জানিয়েছিলেন, নারী ও শিশুকে রক্ষা করা কর্তব্য কিন্তু সমস্ত পুরুষই ধর্ষক এটা বলা যায় না। এদিকে গত ৩১ জানুয়ারি অ্যাডভোকেট করুণা নন্দী জানিয়েছিলেন, মহিলাদেরও না বলার অধিকার আছে।

বৈবাহিক ধর্ষণ কি অপরাধ? বিচারপতিরা একমত না, মামলা যাবে সুপ্রিম কোর্টে
জোর করে সঙ্গম করার চেষ্টা স্বামী করলে তা বারণ করার অধিকার মহিলাদের দিতে হবে। দুই বিচারপতির এই মতপার্থক্যের জন্য মামলাটি তিন বিচারপতির বেঞ্চে পাঠানো হয়েছে। একইসঙ্গে বৈবাহিক ধর্ষণের বিষয়টি এবার সুপ্রিম কোর্টেও যাবে।







