রবিবার দেশজুড়ে শুরু হতে চলেছে রথযাত্রা উৎসব। সনাতনী ধর্মালম্বী মানুষদের অন্যান্য উৎসবগুলির মত রথযাত্রা উৎসব বেশ জনপ্রিয়। তবে রথ উৎসবের জনপ্রিয়তার কথা মাথায় আসলেই সবার প্রথমে মনে পড়ে পুরীর রথের কথা। তবে পুরীর পাশাপাশি মাহেশ এবং কলকাতার ইসকনের রথও বেশ জনপ্রিয়।
বহু ভক্ত ভির জমান রথে আরোহিত জগন্নাথ, বলরাম ও সুভদ্রা কে দেখার জন্য। শুধু তাই নয়, এই রথের রশি টান দেওয়ার জন্য হুড়োহুড়ি পড়ে যায় ভক্তদের মধ্যে। কিন্তু কি হয় এই রথের রশি টান দিলে জানেন কি? পুরীতে জগন্নাথ, বলরাম ও সুভদ্রা তিনটি আলাদা রথে চরে মাসির বাড়ি যান। তবে বেশ কিছু জায়গায় দেখা যায় তিন জনে একটি মাত্র রথে চেপেই রওনা দেয় মাসির বাড়ি। তবে যাই হোক না কেন এই রথের রশি টান দেওয়ার ব্যাপক আকুলতা থাকে ভক্তদের মধ্যে।

হিন্দু ধর্ম মতে বিশ্বাস অনেকে বিশ্বাস করেন, রথের রশিতে টান দিলেই হবে পুণ্যলাভ। জন্ম মৃত্যুর শৃঙ্খল থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। জগন্নাথ দেবের এই রশি স্পর্শ করলে পেতে হয় না পূর্ব জন্মের কষ্ট। অনেকে ধর্মীয় মতে বিশ্বাস করেন বামন অবতার রয়েছে শ্রী জগন্নাথ দেবের রথে। তাই একবার রথের রশি টানতে পারলে সব পাপ মুছে যাবে।
জগন্নাথ দেবের রথের দড়ি টানলে কি হয়? জানুন বিস্তারিত

আর তাই বহু দশক আগে ভক্তদের রথের চাকার নিচে প্রাণ বিসর্জন দিতেও দেখা গেছে। তবে বর্তমানে রথের সামনে যথেষ্ট কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা থাকায় প্রাণ বিসর্জনের মতো ঘটনা আর দেখা যায়নি। অনেক ক্ষেত্রে দেখা গেছে রথের দড়ি টান দেওয়া তো দূর অনেকে এই এই রশির কিছু অংশ ছিঁড়ে বাড়ি নিয়ে চলে আসেন। এরপর ওই ছেঁড়া রশির অংশ দিয়ে মাদুলি তৈরি করে পরিয়ে দেন সন্তানদের, বড়রাও পড়েন অনেকে। বিশ্বাস করেন এটা তাদের বিপদ থেকে রক্ষা করবে। অনেক ক্ষেত্রে দেখা গেছে বহু মানুষ পথ চলতি বাচ্চাদের ছোট ছোট রথের রশিও স্পর্শ করেন। এক্ষেত্রেও বিশ্বাসটা ঠিক একই রকমের।




