নজরবন্দি ব্যুরো: জলপাইগুড়ির সভা থেকে চা শ্রমিকদের একগুচ্ছ বার্তা দেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক সম্পাদক অভিষেক ব্যানার্জি। নির্বাচনী প্রচার হোক বা সাধারণ জনসংযোগ অনুষ্ঠানের, সময়ে সময়ে পৃথক উত্তরবঙ্গের দাবিকে সমর্থন করতে দেখা গিয়েছে বিজেপি (BJP) নেতাদের। কিন্তু দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মতোই অখণ্ড বাংলার পক্ষেই সওয়াল করলেন তৃণমূলের (TMC) সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ।
আরও পড়ুনঃ বিপুল টাকার মালিক আমির কোথায়? খোঁজ শুরু করল ইডি
আর আজ সেখানেই অখণ্ড বাংলার পক্ষে মুখ খোলেন তিনি। তিনি আজ সভায় বলেন, “উত্তরবঙ্গ কথাটা নিয়ে আমার আপত্তি আছে। কোনও উত্তরবঙ্গ-দক্ষিণবঙ্গ নয়, কোচবিহার থেকে দেগঙ্গা-কাকদ্বীপ একটাই বঙ্গ, তার নাম পশ্চিমবঙ্গ। আর কোনও বঙ্গ নয়। বিজেপি আর সিপিএম-এর কিছু নেতাদের গায়ে জ্বালা ধরেছে। বলছিলেন, অভিষেক বলে গেল, আর দেখা পাওয়া যাবে না। আমি যা বলি, বুক ঠুকে বলি। বলেছিলাম দু’মাস পর আসব।

দু’মাস পূর্ণ হয়নি, আমি আবার এসেছি।” জলপাইগুড়ির সভা থেকে চা শ্রমিকদের বার্তা দেন একগুচ্ছ। তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারোণ সম্পাদক জানান, “চা শ্রমিকদের পাশে আছে তৃণমূল। শেষ রক্তবিন্দু পর্যন্ত চা-শ্রমিকদের দাবি দাওয়া নিয়ে আমরা সোচ্চার হব। শ্রমিকদের স্বার্থে যতদূর যেতে হয় যাব।” একই সঙ্গে তিনি স্পষ্ট করে বলেন, আজকের এই সভায় তাঁর উপস্থিতি রাজনৈতিক কারণে নয়।

অভিষেকের মতে, এই মুহূর্তে বিধানসভা, লোকসভা ভোট নেই, দেরি আছে পঞ্চায়েত ভোটেও। আজকের সভায় তিনি গিয়েছেন শুধুমাত্র মানুষের সঙ্গে কথা বলার জন্য, তাঁদের কথা জানার জন্য। জলপাইগুড়ির সভা থেকে চা শ্রমিকদের পাশে থাকার বার্তাও দেন অভিষেক। তিনি বলেন, “তৃণমূল ও INTTUC শেষ রক্তবিন্দু দিয়ে চা শ্রমিকদের নিয়ে সোচ্চার হব, যেখানে যা দরকার হবে, পাশে দাঁড়াব।

‘উত্তরবঙ্গ বা দক্ষিণবঙ্গ নয় পুরোটাই পশ্চিমবঙ্গ,’ জলপাইগুড়ি সভা থেকে এমনটাই দাবি অভিষেকের
অনেকের মধ্যেই ধারণা তৈরি হয়। কিন্তু ট্রেড ইউনিয়নের নেতারা কেন দাবি দাওয়া নিয়ে সরব হচ্ছেন না? কালকের সমাবেশে আপনারা পিএফ গ্রাচুইটি নিয়ে সমস্যার কথা বলেছেন, সে সব আমার কানে এসেছে। পানীয় জলের সমস্যার কথা বলেছেন, মজুরির কথা বলেছেন, সেগুলি কানে এসে পৌঁছেছে। একদিকে দার্জিলিং হিল…ওই দিকে উত্তর দিনাজপুর, প্রায় সাড়ে ৩ লক্ষ চা শ্রমিক এই সমাবেশের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন। কেউ সোশ্যাল মিডিয়ায় বা টিভিতে দেখছেন।”



