এসএসসিতে বাতিল চাকরিতে নেই কোনও অনিয়ম। ২৫,৮৪৪ চাকরিতে নেই কোনও অনিয়ম। সুপ্রিম কোর্টে রিপোর্ট দিয়ে এমনই জানাল পশ্চিমবঙ্গ মধ্যশিক্ষা পর্ষদ(West Bengal Board of Secondary Education)। আগামী মঙ্গলবার এসএসসিতে চাকরি বাতিল মামলার শুনানি রয়েছে । তার আগেই সুপ্রিম কোর্টে রিপোর্ট জমা দেয় পশ্চিমবঙ্গ মধ্যশিক্ষা পর্ষদ। তাই গতকালই আদালতে স্পষ্ট অবস্থান বোর্ডের। তবে ওএমআর বিকৃতি নিয়ে কোন তথ্য জানাল না বোর্ড।
মঙ্গলবার প্রধান বিচারপতি ডি ওয়াই চন্দ্রচূড়ের ডিভিশন বেঞ্চে এসএসসি মামলার চূড়ান্ত পর্যায়ের এই শুনানি রয়েছে। তবে তার আগে সংশয় ছিল প্রায় ২৬ হাজার এই চাকরি প্রার্থী দের মধ্যে যোগ্য ও অযোগ্য দের তালিকা আদেও দিতে পারবে কিনা। কিন্তু ৩ অগাস্ট মধ্য শিক্ষা পর্ষদ তাদের অবস্থান স্পষ্ট করে ৬ পাতার রিপোর্ট জমা দেয় সুপ্রিম কোর্টে। এই রিপোর্টে তাদের দাবি মোট ২৫,৮৪৪ জনকে চাকরি দেওয়া হয়েছিল। যার মধ্যে নবম-দশমে ১৩০৫৬। একাদস-দ্বাদশে সহকারী শিক্ষক পদে চাকরি ৫৭৫৭ দেওয়া হয়েছিল। এছাড়াও গ্রুপ-ডি পদে ৪৫৪৭ ও গ্রুপ-সি পদে ২৪৮৪ জনকে চাকরি দেওয়া হয়েছিল।


তবে মধ্যসিক্ষা পর্ষদ যে বিষয়টা নিয়ে এসএসসির সঙ্গে যখন চাকরি ধরে ধরে স্ক্রুটিণি করেছে তখনই মিলে যায় যে এসএসসি এবং বোর্ডের মধ্যে কোন তথ্যগত ফারাক নেই। তার কারণ বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই দেখা গেছে বেশ কিছু শিক্ষক স্কুল চয়েস করার পরেও তার জইন করেন নি। সেই চাকরি গুলির ক্ষেত্রেই একাধিক সু[পারিশ পত্র ইস্যু হয়েছে। তাই এই সুপারিশ পত্রের সঙ্গে অনেক পার্থক্য দেখা গেছে নিয়োগ পত্রের।
জারফলে, একই প্রার্থীর নামে দুটি সুপারিশপত্র এবং দুটি নিয়োগপত্র জারি করা হয়েছে। যদিও একটি কার্যকর এবং অন্যটি পরে বাতিল করা হয়। যদিও বোর্ডের এই যুক্তি মানতে নারাজ মূল মামলাকারী আইনজীবীরা। এই নিয়েই আইনজীবী ফিরদৌস সামিম, সুদীপ্ত দাশগুপ্ত, বিক্রম বন্দ্যোপাধ্যায়রা পাল্টা যুক্তি শানাচ্ছেন শীর্ষ আদালতে। তবে শেষমেশ শীর্ষ আদালত এ বিষয়ে কী রায় দেয় সেটাই এখন দেখার।







