নজরবন্দি ব্যুরোঃ কনকনে ঠান্ডা এখনও অধরা রাজ্যে। হাড় কাঁপানো শীতের দেখা মেলেনি এখনও। ঘূর্ণিঝড় মান্দাসের জন্য টানা বৃষ্টিপাতও হচ্ছে চেন্নাইতে। আবহাওয়ার পরিস্থিতি বিশেষ বদলের সম্ভাবনা তেমন নেই আজ রবিবার। চেন্নাইয়ে আগামী ৪৮ ঘণ্টা দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়া থাকবে বলেই পূর্বাভাস। এখনও হাড় কাঁপানো শীতের প্রতীক্ষায় রয়েছে শীতপ্রেমী বাঙালিরা।


আজ রবিবার সকাল থেকে কলকাতার আকাশ আংশিক মেঘলা। সকালের দিকে শীত শীত অনুভূত হলেও বেলা গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে বাড়ছে তাপমাত্রার পারদ। রবিবার শহর কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১৮.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে ২ ডিগ্রি বেশি এবং গতকাল শহরের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ২৭.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এদিন বাতাসে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ ছিল সর্বাধিক ৮৯ শতাংশ এবং সর্বনিম্ন ৪৭ শতাংশ।

ঘটনা হল, গত কিছু দিন ধরে পারদ ২০ ডিগ্রির নিচে থাকায় শীতের আমেজ বজায় আছে ঠিকই, কিন্তু তাপমাত্রার হেরফেরে জ্বর, সর্দি, কাশির মতো উপসর্গ দেখা দিচ্ছে। শিশুরা তো বটেই, জ্বর-কাশি থেকে রেহাই পাচ্ছেন না বয়স্করাও। আবহাওয়ার এই রকমফের দেখে রোগ-জ্বর বালাই সম্পর্কে সতর্ক থাকতে বলছেন চিকিত্সকরা। বিশেষ করে শিশুদের ক্ষেত্রে এই সময় বাড়তি সতর্কতা ও যত্ন প্রয়োজন বলে পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিত্সকরা।
আজ রবিবার ঘূর্ণীঝড় মান্দাসের গভীর নিম্নচাপে পরিণত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এদিকে চেন্নাইয়ের পাশাপাশি কৃষ্ণগিরি, ধর্মপুর, সালেমেও অঞ্চলে প্রভাব ফেলবে এই ঘূর্ণিঝড়। চলবে বৃষ্টিপাতও। সোমবার থেকে পরিস্থিতির সামান্য উন্নতি হবে বলে জানিয়েছে হাওয়া অফিস। তামিলনাড়ু উত্তর উপকূল এবং রায়লসীমাতে এই ঘূর্ণিঝড়ের সব থেকে বেশি প্রভাব পড়তে চলেছে।


সোমবার থেকে আরও বাড়বে তাপমাত্রা, ঘূর্ণীঝড় মান্দাস নিয়ে বড় পূর্বাভাস হাওয়া অফিসের

জানা যাচ্ছে, ঘূর্ণীঝড়ের ফলে বঙ্গোপসাগর থেকে জলীয় বাষ্প প্রবেশ করেছে রাজ্যে। গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গে আকাশ থাকছে মেঘলা। আর এর দরুনই কার্যত বাড়বে দিন ও রাতের তাপমাত্রা। অন্যদিকে পূর্ব ভারতের সব রাজ্যেই আগামী কয়েক দিন তাপমাত্রা বৃদ্ধির সম্ভাবনা রয়েছে। আলিপুর আবহাওয়া দফতর অবশ্য এই বিষয়ে আশার কথা শোনাচ্ছে। এখনই বৃষ্টিপাতের কোনও সম্ভাবনা নেই উত্তর বা দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে। মূলত শুষ্ক থাকবে আবহাওয়া।







