নজরবন্দি ব্যুরোঃ নতুন বছরের প্রথম বৃষ্টি তাও আবার এই শীতের মাসে, একেবারে ঠান্ডার পথের কাঁটা হয়ে আসছে এই ঘূর্ণাবর্ত। কিন্তু এবারের সরস্বতী পুজোতেও কি বৃষ্টি হবে? হলেও কোন কোন জেলায় বৃষ্টি হবে? মাঘ মাসে রোদের তেজ নেই। বদলে সকাল শুরু হচ্ছে ঘন কুয়াশায় ঢাকা আকাশ দিয়ে। ঘূর্ণাবর্তের জেরে মধ্য জানুয়ারিতে আবহাওয়ায় এল বড় বদল। ঘন কুয়াশার পাশাপাশি এবার জেলায় জেলায় বৃষ্টির পূর্বাভাস। আলিপুর আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, পাঁচ জেলায় আজ বিকেল পর্যন্ত হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।
আরও পড়ুনঃ ১৭৭ টি ভুয়ো অ্যাকাউন্টের সঙ্গে রয়েছে অনুব্রতর যোগ, আপাতত জেলেই রাত কাটবে


রাজ্যে দেখা নেই শীতের। তার উপর ঘূর্ণাবর্তের চোখরাঙানি। ফলত কলকাতা সহ জেলায় জেলায় বৃষ্টির পূর্বাভাস। মঙ্গলবার থেকেই একাধিক অঞ্চলে হালকা বৃষ্টি শুরু হয়েছে। বুধবারের পর বৃহস্পতিবারেও বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দফতর। আলিপুর আবহাওয়া দফতর জানাচ্ছে, আগামী ২৪ ঘণ্টা পাঁচ জেলায় হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। উত্তরবঙ্গের দার্জিলিং এবং কালিংম্পঙের পার্বত্য এলাকা এবং দক্ষিণবঙ্গের উপকূলের জেলাগুলি যেমন পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর এবং দক্ষিণ ২৪ পরগনাতেও হালকা বৃষ্টি হবে।

কলকাতায় সকালের দিকে হালকা কুয়াশা থাকলেও পরে প্রধানত পরিস্কার আকাশ। তবে সকালে সন্ধ্যে শীতের আমেজ থাকবে। দিনের বেলায় শীতের আমেজ ধীরে ধীরে কমে যাবে। আজ সকালে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১৬.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যদিও পরে তা সামান্য কমে ১৬.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস হবে। গতকাল দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ২৩.৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আজ এই তাপমাত্রা কিছুটা কমে ২৩.১ ডিগ্রি সেলসিয়াস হবে। বাতাসে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ ৫২ থেকে ৮৩ শতাংশ।
ঝেঁপে বৃষ্টি নামতে পারে কলকাতা এবং পার্শ্ববর্তী অঞ্চলেও। অর্থাৎ শীতের দুপুরে মিঠে রোদ গায়ে মাখা তো দুর অস্ত বরং অফিস ফেরতা যাত্রীরা ভিজতে পারেন অকাল বৃষ্টিতে। উত্তরবঙ্গের পার্বত্য জেলাগুলিতে তাপমাত্রা সামান্য কম থাকবে। কোচবিহার, আলিপুরদুয়ার, জলপাইগুড়ি এই তিন জেলায় দিনের তাপমাত্রা কম থাকায় কার্যত শীতল দিনের পরিস্থিতি তৈরি হবে বলে জানিয়েছে হাওয়া অফিস। কোচবিহার, আলিপুরদুয়ার, জলপাইগুড়ি, উত্তর ও দক্ষিণ দিনাজপুরে কুয়াশার প্রভাব বেশি থাকবে। দৃশ্যমানতা কোথাও কোথাও ৫০ মিটারে নেমে আসতে পারে।


এবারের সরস্বতী পুজোতেও কি বৃষ্টি হবে? কি বলছে হাওয়া অফিস?

বঙ্গোপসাগরে উচ্চচাপ বলয় এবং বিপরীত ঘূর্ণাবর্ত তৈরি হয়েছে। এর জেরে সাগর থেকে জলীয় বাষ্প ঢুকছে। অন্যদিকে উত্তর পশ্চিমে বাতাসের প্রভাবও থাকছে। ফলে পশ্চিমের দিকের জেলা সহ গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গের একাধিক জেলায় তাপমাত্রা স্বাভাবিকের কাছাকাছি থাকলেও উপকূলের জেলাগুলিতে জলীয় বাষ্পের কারণে কুয়াশা ও বৃষ্টির সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।







