নজরবন্দি ব্যুরো: নদীয়া সফরে রয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সফরে বৃহস্পতিবার ছিল প্রশাসনিক বৈঠক। আর আজ সেই বৈঠকে নদীয়া জেলার এক সাংবাদিক মুখ্যমন্ত্রীকে জেলা ভাগের বিষয় নিয়ে প্রশ্ন করেন। তার জবাবে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, এখনই ওই বিষয়টা কার্যকর হবে না।
আরও পড়ুন: সবাইকে কামড়াচ্ছে সরকার, টেট আন্দোলনকারীদের কামড় প্রসঙ্গে বিস্ফোরক দাবি দিলীপের
মমতার কথায়, ‘অত অফিসার কোথায়? জেলা করতে গেলে তো অফিসার লাগবে। আমাদের হাতে এখন অত অফিসার নেই।’ সেইসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী এও বলেন, ‘এখন শুধু দুটো জেলা নতুন করে তৈরি হবে। এক, উত্তর চব্বিশ পরগনা ভেঙে বসিরহাট। দুই, দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা ভেঙে সুন্দরবন।
গত অগস্টে ঠিক হয়েছিল উত্তর ২৪ পরগনাতে হচ্ছে তিনটে জেলা। বনগাঁ, বাগদা ওখানে পড়ে বলে ইছামতি জেলা হচ্ছে। এছাড়াও জেলা হচ্ছে বসিরহাট। যার নাম পরে দেওয়া হবে। নতুন জেলা হচ্ছে সুন্দরবন জেলা। মুর্শিদাবাদে মোট হচ্ছে তিনটে জেলা কান্দি, বহরমপুর ও মুর্শিদাবাদ। বাঁকুড়ায় হচ্ছে নতুন জেলা বিষ্ণুপুর, নদীয়া পাচ্ছে রানাঘাট জেলা।

মুর্শিদাবাদ জেলা ভেঙে আরও দুটি নতুন জেলা তৈরি হচ্ছে, বহরমপুর-জঙ্গিপুর, কান্দি। নদিয়া জেলা ভেঙে রানাঘাট জেলা গঠিত হবে। উত্তর ২৪ পরগনা জেলা ভেঙে আরও দুটি নতুন জেলা তৈরি হচ্ছে হচ্ছে। এর মধ্যে বনগাঁ-বাগদা নিয়ে ইছামতী জেলা হচ্ছে। বসিরহাট মহকুমা নিয়েও নতুন জেলা তৈরি হচ্ছে। এছাড়া বিষ্ণুপুর ও সুন্দরবন নামে দুটি নতুন জেলা হচ্ছে।
জেলা ভাগ ছাড়াও আজ মুখ্যমন্ত্রী একই সঙ্গে ভোটার লিস্ট এবং সিএএ প্রসঙ্গে ফের সরব হয়েছিলেন । বৈঠক থেকে তিনি বলেন ভোটার তালিকা নিয়ে চক্রান্ত চলছে। সীমান্ত এলাকার জেলা শাসক এবং পুলিস সুপারদেরকে সতর্ক করে দিয়েছেন তিনি। এছাড়াও কেন্দ্রের টাকা না দেওয়া নিয়েও তিনি মুখ খোলেন।
৭টি বদলে ২টো জেলা এখন ভাগ হবে, বললেন মুখ্যমন্ত্রী
তিনি বলেন, ‘কেন্দ্র টাকা দিচ্ছেনা। কিন্তু বসে থাকলে হবেনা। পঞ্চায়েত সমিতিগুলোকে বলছি কাজটা চালিয়ে যেতে হবে’। তিনি বলেন, ১০০ দিনের কাজ নিজেরা চেষ্টা করে, বিভিন্ন দফতরকে দিয়ে ২৮ লক্ষ কাজে লাগানো হয়েছে বলেন তিনি। এবং পুরসভাগুলিকে তিনি নির্দেশ দেন যাতে ১০০ দিনের কাজ যারা করেন তাদেরকে কাজে লাগান হয়। পাশাপাশি জেলা পরিষদ এবং পঞ্চায়েত সমিতি যে টাকা পাচ্ছে তা দিয়ে রাস্তা তৈরির নির্দেশ দেন তিনি।



