একই দিনে তিন অবস্থান-বিক্ষোভে জেরবার বিশ্বভারতী।

একই দিনে তিন অবস্থান-বিক্ষোভে জেরবার বিশ্বভারতী।

নজরবন্দি ব্যুরোঃ একই দিনে তিন অবস্থান-বিক্ষোভে জেরবার বিশ্বভারতী। গত বছর থেকেই বিশ্বভারতীর সাথে সংঘাত চরমে পৌঁছেছে রজ্য সরকারের। ঘটনা প্রতি ঘটনায় চলছেই বিক্ষোভ অবস্থান কর্মসূচী। তা নিয়ে শনিবার সকাল থেকেই উত্তপ্ত বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়।

কালীসায়র থেকে উপাসনা মন্দির পর্যন্ত রাস্তা নিয়ে রাজ্যের সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের। উপাচার্য থাকা কালীন রাজ্যের থেকে এইরাস্তা টি চেয়ে নেন স্বপন দত্ত। কয়েক বছর আগে রাজ্য তা দিয়ে দেয় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তীপক্ষকে। তবে হঠাত ই মাস ৬ আগে আবার তা ফিরিয়ে নিতে চায় রাজ্য সরকার, এবং সে বিষয়ে কথাও হয় বিশ্বভারতীর সাথে।

আরও পড়ুনঃ ১৯-এ পুরুলিয়ায় জনসভা মমতার, প্রস্তুতি বৈঠকে গরহাজির বিধায়ক, জল্পনা তুঙ্গে

গত মাস ৬ ধরে নানা কারন দেখিয়ে রাস্তায় বাধা ব্যারিকেড দেওয়া হছহিল, সাধারণ মানুষ রাস্তা ব্যবহার করতে পারবেনা এমনকি রাস্তায় দাঁড়িয়ে কেউ ছবিও তুলতে পারবেনা এরকম একাধিক নিয়মের বেড়া জাল তৈরি হতে থাকে, তাতে অসুবিধেয় পড়েন আশেপাশের মানুষ জন। বার বার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে চিঠিও লেখেন অমর্ত্য সেন সহ আরও অনেকে। তবে কয়েকদিন আগে রাজ্য চিঠি দেয় বিশ্বাবিদ্যালয়কে রাস্তা ফিরিয়ে দেওয়ার জন্য। তারপর গতকাল উপাচার্য সহ একাধিক অধ্যাপকেরা অবস্থানে বসেন রাস্তা ফেরানোর দাবিতে।

অন্যদিকে একই দিনে উপাচার্যের অবস্থানের সঙ্গে সঙ্গেই  উপাচার্য বিশ্বভারতীকে গৈরিকীকরণের চেষ্টা করছেন এই অভিযোগে বিক্ষোভ দেখায় বাম ছাত্র সংগঠন। শুধু বামসমর্থকেরা নয়  উপাচার্যের বিরুদ্ধে ক্ষোভপ্রকাশ করে অবস্থান বিক্ষোভে অংশ নেন কবিগুরু মার্কেট এবং বোলপুর ব্যবসায়ী সমিতির সদস্যরা। তাঁদের দাবি বারবার উপাচার্যের কাজে বিজেপি সমর্থন থাকছে, এই পক্ষপাতিত্ব মেনে নিতে নারাজ তাঁরা।

অন্যদিকে উপাচার্যের অবস্থানেরপ্রায় সঙ্গে সঙ্গেই বিশ্বাভারতী চত্বরে বিক্ষভে সামিল হন বাম ছাত্র সংগঠনের সদস্য গন। তাঁদের মতামত একই। বারবার নিজের কাজের মাধ্যমে বিজেপি সমর্থন এবং বিশ্বাবিদ্যালয়কে গৈরিকীকরণের চেষ্টা করছেন। এই দাবিতেই এই মুহুর্তে গোটা বল্পুর জুড়ে বিক্ষোভ দেখাচ্ছে সাধারণ মানুষ। অবস্থান শেষের পর রবীন্দ্রভবনের সামনে ছাতিমতলা থেকে দরজা দিয়ে বেরনোর সময় রাস্তা আটকে বিক্ষোভ দেখান বাম সমর্থকেরা। নিরাপত্তারক্ষিরা বাধা দিলে শুরু হয় ধ্বস্তাধস্তি। উপাচার্য বেরিয়ে গেলেও কিছুক্ষনের জন্য আটকে পড়েন অধ্যাপকেরা।

একই দিনে তিন অবস্থান-বিক্ষোভে জেরবার বিশ্বভারতী। বিশ্বাভারতীর উপাচার্যের বিরুদ্ধে এই গৈরিকীকরনের অভিজভ ওঠে প্রথম ২০১৯ সালে। পৌষ মেলার জন্য জমা নেওয়া সিকিউরিটি মানি ফেরতের জন্য।   তারপর থেকে বিভিন্নসময়ে উপাচার্যের নানা কাজে কর্মে বিজেপি যোগের কথা জানিয়েছেন অনেকেই।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

x