নজরবন্দি ব্যুরোঃ পরীক্ষার দিনগুলোতে হস্টেল খুলে দিতে হবে। এই কাজে উপাচার্যকে সাহায্য করবে পুলিশ। আন্দোলন তুলে নিতে হবে ছাত্রছাত্রীদের। বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়ে এই নির্দেশ দিয়েছে কলকাতা হাইকোর্ট। কিন্তু হল তার উল্টোটা।
আরও পড়ুনঃ ভারতের সহযোগীতায় ফিরলেন বাংলাদেশী পড়ুয়ারা, মোদিকে ধন্যবাদ হাসিনার
বুধবার সকালে নির্দিষ্ট সময় পেরিয়ে যাওয়ার পরও বিশ্বভারতীর প্রধান কেন্দ্রীয় কার্যালয় তালা বন্ধ অবস্থায় ছিল। আদালতের নির্দেশ অমান্যর অভিযোগ উঠল বিশ্বভারতীর বিরুদ্ধে। মঙ্গলবার বিচারপতি রাজা শেখর মান্থা স্পষ্ট করে বলে দেন,

“পরীক্ষা যেন সঠিকভাবে ও সুষ্ঠভাবে সম্পন্ন হয়, সেই বিষয়টির দায়িত্ব নিতে হবে প্রশাসনকে। দুটি গেটে পুলিশ থাকবে, যাঁরা দেখবেন বহিরাগতরা যেন ভিতরে না ঢুকতে পারে”। বিচারপতি আরও জানিয়ে দিয়েছেন, “পরীক্ষার নির্ঘণ্ট ও সূচি অনুযায়ী ঘর বরাদ্দ করতে হবে”।
আদালতের নির্দেশ অমান্যর অভিযোগ উঠল বিশ্বভারতীর বিরুদ্ধে
উল্লেখ্য, গত কয়েক মাসে দফায় দফায় ছাত্রবিক্ষোভে উত্তাল হয়ে উঠেছে বিশ্বভারতী। করোনা পরিস্থিতির পর সব বিশ্ববিদ্যালয়ের হস্টেল খুললেও কেন বিশ্বভারতীর হস্টেল খোলা হয়নি, তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন পড়ুয়ারা। স্মারকলিপি, বিক্ষোভ, ঘেরাও- সবই হয় বিশ্বভারতীতে। জল গড়ায় আদালত পর্যন্ত। আদালত স্পষ্ট করে দেয়, হস্টেল খুলতে হবে বিশ্বভারতী কর্তৃপক্ষকে। পাশপাশি পড়ুয়াদেরও আন্দোলন তুলে নেওয়ার কথা বলেন বিচারপতি রাজাশেখর মান্থা।



