নজরবন্দি ব্যুরোঃ অবশেষে শান্তি ফিরল বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ে । প্রায় ৮০ ঘণ্টা পর ঘেরাওমুক্ত হলেন বিশ্বভারতীর কেন্দ্রীয় অফিসের কর্মসচিব এবং দুই আধিকারিক। বৃহস্পতিবার রাতে তাঁদের কেন্দ্রীয় অফিস থেকে বার করে নিয়ে যান শান্তিনিকেতন থানার পুলিশ।
আরও পড়ুনঃ শুভেন্দুর নালিশে কেন্দ্রের জবাব, রাজ্যের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা
আধিকারিকদের উদ্ধারের সময় আন্দোলনরত ছাত্রছাত্রীরা বিক্ষোভ দেখান। সোমবার থেকেই বিশ্বভারতীর সেন্ট্রাল অফিসে রেজিস্ট্রার আশিস আগরওয়াল, জনসংযোগ আধিকারিক অতীক ঘোষ এবং প্রাক্তন ভারপ্রাপ্ত রেজিস্টার অশোক মাহাতোকে ঘেরাও করে বিক্ষোভ দেখান ছাত্রছাত্রীরা। ঠিক কী ঘটেছিল বিশ্ববিদ্যালয়ে? বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে অফলাইনে পঠনপাঠন শুরু হয়েছে।
তবে হস্টেল এখনও বন্ধ। আর তা নিয়েই যত জটিলতা শুরু হয়। কারণ দূরদুরান্ত থেকে আসা পড়ুয়ারা অসুবিধায় পড়েছেন বলে শুরু হয় আন্দোলন। হস্টেল খোলার দাবিতেই আন্দোলন চরমে ওঠে। হস্টেল খোলা–সহ নানা দাবিতে সোমবার থেকে পড়ুয়াদের আন্দোলনে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে বিশ্বভারতী।উল্লেখ্য, শান্তিনিকেতন থানার পুলিশ বৃহস্পতিবার রাতে বিশ্বভারতীর কেন্দ্রীয় অফিসে গিয়ে উপস্থিত হয়।
অবশেষে শান্তি ফিরল বিশ্বভারতীতে, ৮০ ঘণ্টা পর মুক্ত রেজিস্ট্রার
সেখান থেকে তাঁরা কর্মসচিব এবং তাঁর দুই আধিকারিককে উদ্ধার করে নিয়ে আসেন। তবে উদ্ধারকাজ এত সহজে হয়নি। সেখানেও পুলিশকে বাধার মুখে পড়তে হয় আন্দোলনকারীদের। তবে অবশেষে ওই কর্মসূচি এবং আধিকারিকদের উদ্ধার করতে সক্ষম হয় পুলিশকর্মীরা।



