গত বছরটা তাঁর কেরিয়ারের অন্যতম উজ্জ্বল অধ্যায় হয়ে থাকবে। আইপিএল, এক দিনের ক্রিকেট কিংবা ঘরোয়া মঞ্চ— যেখানে খেলেছেন, সেখানেই ধারাবাহিকতা আর অভিজ্ঞতার ছাপ রেখেছেন বিরাট কোহলি। নতুন বছরেও সেই ছন্দ বজায় রাখারই ইঙ্গিত মিলছে। সব কিছু পরিকল্পনা অনুযায়ী চললে ২০২৬ সালে অন্তত ২৯টি ম্যাচে মাঠে দেখা যেতে পারে ভারতীয় ক্রিকেটের এই তারকাকে।
নতুন বছরের শুরুটা কোহলির হতে পারে ঘরোয়া ক্রিকেট দিয়েই। ৬ জানুয়ারি বিজয় হাজারে ট্রফিতে রেলওয়েজ়ের বিরুদ্ধে দিল্লির হয়ে খেলার কথা রয়েছে তাঁর। দীর্ঘদিন পরে ঘরোয়া ক্রিকেটে নেমে সদ্যই শতরান ও অর্ধশতরান করেছিলেন কোহলি। সেই ফর্ম ধরে রাখাই লক্ষ্য থাকবে।
ঘরোয়া ম্যাচের পরই তাঁকে যোগ দিতে হবে জাতীয় শিবিরে। ১১ জানুয়ারি থেকে শুরু হতে চলেছে নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে ভারতের এক দিনের সিরিজ়। বছরের শুরুতেই আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ব্যস্ত সূচি অপেক্ষা করছে তাঁর জন্য।
এর পর নজর আইপিএলের দিকে। রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুর হয়ে ট্রফি ধরে রাখার লড়াইয়ে নামবেন কোহলি। নিলামের পর দলে একাধিক নতুন মুখ যোগ হয়েছে। লিগ পর্বে অন্তত ১৪টি ম্যাচ খেলবে বেঙ্গালুরু। দল নকআউটে উঠলে কোহলির ম্যাচসংখ্যা আরও বাড়তে পারে। চিন্নাস্বামী স্টেডিয়ামে সব ম্যাচ হবে কি না, তা অবশ্য এখনও পুরোপুরি স্পষ্ট নয়।
জুনে আবার জাতীয় দলের জার্সিতে মাঠে নামার কথা কোহলির। ঘরের মাঠে আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে তিন ম্যাচের এক দিনের সিরিজ় খেলবে ভারত। এর পর জুলাইয়ে ইংল্যান্ড সফরে তিনটি এক দিনের ম্যাচ রয়েছে।
বছরের শেষ ভাগেও ব্যস্ত থাকবেন কোহলি। অক্টোবর-নভেম্বরে দেশের মাটিতে ওয়েস্ট ইন্ডিজ়ের বিরুদ্ধে এক দিনের সিরিজ় রয়েছে। তার পর নভেম্বর-ডিসেম্বরে নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে আরও একটি তিন ম্যাচের সিরিজ় খেলবে ভারত। সব মিলিয়ে দেশের জার্সিতে অন্তত ১৫টি এক দিনের ম্যাচ খেলার সম্ভাবনা রয়েছে তাঁর।
টেস্ট ক্রিকেট থেকে অবসর নেওয়ার পর সীমিত ওভারের ফরম্যাটেই আপাতত কোহলির মূল ফোকাস। অভিজ্ঞতা আর ধারাবাহিকতায় ভর করে নতুন বছরেও তিনি যে ভারতীয় ক্রিকেটের অন্যতম ভরসা হয়ে থাকবেন, তা বলাই যায়।



