নজরবন্দি ব্যুরোঃ N-95 মাস্ক ব্যবহারে সতর্কবার্তা জারি করল স্বাস্থ্যমন্ত্রক! ক্রমশ সংকটজনক পরিস্থিতির দিকে চলেছে দেশ। হুহু করে দেশ জুড়ে বেড়ে চলেছে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ। করোনা ভাইরাসের প্রকোপে কার্যত প্রাণ ওষ্ঠাগত ভারতবাসীর। এই অবস্থায় আবার একটি খবরে ফের আতঙ্ক বাড়ল। এতদিন বলা হত এন ৯৫ মাস্ক সবচেয়ে বেশি নির্ভরযোগ্য, কিন্তু এবার বদলে দেওয়া হল সেই ধারনা। আজ কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের তরফে চিঠি দিয়ে প্রত্যেক রাজ্য এবং কেন্দ্র শাসিত অঞ্চল কে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে ভাল্ব যুক্ত এন ৯৫ মাস্ক এর বিপদের কথা।
আরও পড়ুনঃ শুরু হয়েছে গোষ্ঠী সংক্রমণ, দেখুন জেলা ভিত্তিক করোনা চিত্র। #Exclusive
N-95 মাস্ক ব্যবহারে সতর্কবার্তা জারি করল স্বাস্থ্যমন্ত্রক! কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের তরফে এদিন দেশের বিভিন্ন রাজ্য এবং কেন্দ্র শাসিত অঞ্চল কে চিঠি দিয়ে জানানো হয়েছে, ভাল্ব যুক্ত এন ৯৫ মাস্ক নিশ্বাসের সঙ্গে ভাইরাসের বেরিয়ে যাওয়া ঠেকাতে পারে না। অন্যদিকে দেশের সর্ববৃহৎ চিকিৎসক সংগঠন, ইন্ডিয়ান মেডিক্যল আসোসিয়েশন দ্যার্থহীন ভাষায় জানিয়ে দিল দেশ জুড়ে শুরু হয়েছে গোষ্ঠী সংক্রমণ। ইন্ডিয়ান মেডিক্যল আসোসিয়েশন হাসপাতাল বোর্ডের চেয়ারম্যান ডক্টর ভিকে মোংগা বলছেন, “প্রতিদিন ৩০ হাজারের বেশি মানুষ সংক্রমিত হচ্ছেন। এটা এখন লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে। খুব খারাপ ইঙ্গিত। গ্রামাঞ্চলের সংক্রমণের হার দেখে বলতেই হচ্ছে, এবার গোষ্ঠী সংক্রমণ শুরু হয়েছে।”

ইন্ডিয়ান মেডিক্যল আসোসিয়েশন এর পশ্চিমবঙ্গের সভাপতি ডাক্তার শান্তনু সেন বলেছেন, “বাংলার বিভিন্ন গ্রামাঞ্চল রয়েছে, যেখানে আগে করোনা ছিল না। সম্প্রতি পুরুলিয়া, ঝাড়গ্রামের মতো বহু জেলায় তা বাড়ছে। এটা চিন্তারই বিষয়। কেন্দ্র বারবার গোষ্ঠী সংক্রমণের কথা অস্বীকার করছে। সংক্রমণ রুখতে বাংলাকে কোনও সাহায্য করছে না। তবু কেন্দ্রের সাহায্য ছাড়াই বাংলা করোনা যুদ্ধে অনেকটা এগিয়ে। দেশের অন্যান্য রাজ্যের তুলনায় বাংলার মৃত্যুর হার অনেক কম।”
অন্যদিকে দেশের সবথেকে বড় মেডিক্যল আসোসিয়েশন এই দাবি করায় চিন্তায় পড়েছে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রক। দিনে ৪০ হাজার সংক্রমণ হলেও এখনও সরকারি ভাবে কেন্দ্রের তরফে স্বীকার করা হয়নি দেশে গোষ্ঠী সংক্রমণ শুরু হয়েছে বলে। অন্যদিকে পাবলিক হেলথ ফাউন্ডেশন অফ ইন্ডিয়ার প্রেসিডেন্ট অধ্যাপক কে শ্রীনাথ রেড্ডি এদিন ব্যাপক সমালোচনা করেছেন কেন্দ্রের। তিনি জানিয়েছেন, “এই ব্যাপক হারে করোনা সংক্রমণ ছড়ানোর আগে আটকাতে পারতাম আমরা, তা আটকানো উচিত ছিল। দ্রুত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে এখন আমাদের উচিত সবচেয়ে ভাল করে চেষ্টা করা।”



