নজরবন্দি ব্যুরো: রাজনীতির রামায়ণ! এই মুহূর্তে বাংলায় রাজনৈতিক নেতারা খুব সিরিয়াসলি সভার পাল্টা সভা করে যাচ্ছেন। বিরোধীদের একেকটা সভার মন্তব্য মার্ক করে রাখছেন আর পাল্টা সভায় ধরে ধরে জবাব দিচ্ছেন প্রতিটা প্রশ্নের। বাংলায় বিজেপিকে ক্ষমতায় আনতে দফায় দফায় বাংলায় আসছে কেন্দ্রের প্রথম সারির নেতা মন্ত্রীরা। বাংলায় রমরাজত্ব গড়তে পঞ্চম দফার রথযাত্রার জন্য রাজ্যে এসেছিলেন অমিত শাহ্।
আরও পড়ুনঃ রানাঘাটে ১৫০ বিজেপি কর্মী সমর্থক যোগ দিলেন তৃণমূল কংগ্রেসে
তিনি সেখানে বলেছিলেন নির্বাচন শেষের পরই বাংলার মাননীয়া নিশ্চিত ভাবে ” জয় শ্রী রাম” বলবেন। তার পর থেকেই রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছিল জল্পনা, বিতর্ক এবং কৌতুকও। অমিত শাহের কোচবিহার সভার কথার ধরে ধরে আজ জবাব দিয়েছেন অভিষেক। কুলতলির সভামঞ্চ থেকে অমিতের পাল্টা জবাব দিয়ে চ্যালেঞ্জ ছুঁড়েছেন অভিষেক। তিনি বিজেপির জয় শ্রী রামের বিপরীতে রাজনীতিতে শুরু করলেন জয় সিয়ারাম এর কথা।
সঙ্গে ব্যাখ্যা দিলেন বিজেপি মেয়েদের সম্মান করতে জানেনা, তাই সীতা মহিলা হলে বিজেপি শুধু রামকে সম্মান জানাচ্ছে। শাহের আগেই বাংলায় সফরে এসেছিলেন প্রধানমন্ত্রী। সেই সব মঞ্চে উপস্থিতি অনুপস্থিতি নিয়ে বেশ বড় মাপের বিতর্ক চলেছিল বাংলা জুড়ে। বাংলায় ” মা – মাটি – মানুষের” কথা সামনে রেখেই শাসন চালাচ্ছেন তৃণমূল সুপ্রিমো। প্রতিটা সভা থেকেই তিনি জানান দেন কৃষকরাই আমাদের মেরুদণ্ড। তার পাল্টা খেলতেই গত রবিবারের হলদিয়ার সভা থেকে আবেগী মোদী ঘোষণা করেছিলেন বাংলায় ক্ষমতায় আসার পরই মন্ত্রীসভার প্রথম বৈঠকে কিষান সম্মান নিধির বিষয়ে পরিকল্পনা নেবেন।
যার মূল কথা দাঁড়ায় বিজেপি ক্ষমতায় এলেই বাংলার প্রায় ৯০ লক্ষ মানুষ মাথা পিছু পাবেন প্রায় ১৪ হাজার করে। আবার শাহ্ বলেছিলেন ক্ষমতায় এলেই নাকি ১৮ হাজার করে টাকা পাঠিয়ে নেবেন কৃষকদের জন্য খোদ মোদী। যেনো উপহারের খেলা। আজকে তৃণমূলের স্বভাবসিদ্ধ ভঙ্গীতে কৃষক আবেগ কাজে লাগাতে অভিষেক জানালেন এতো সোজা কৃষকদের কিনে নেওয়া।
রাজনীতির রামায়ণ! মাত্র ১৮ হাজার টাকার বিনিময়ে কিনে নেবেন বাংলার কৃষক বন্ধুদের। এমনিতেও মোদীর প্রকল্প রূপায়ণ নিয়ে নানা মত প্রকাশ করেছেন অর্থনীতিবিদেরা। শুধু তাই নয়, একে একে বিজেপির রাম থেকে দুর্গার পূর্বপুরুষ সকল কথার ধীরে ধীরে উত্তর দিয়েছেন বিজেপিকে। অনেকে মনে করছেন বিজেপিকে রুখতে রীতিমত পড়াশোনা করে আজকের ময়াদনে নেমেছেন অভিষেক।



