নজরবন্দি ব্যুরোঃ ৩১ তারিখ থেকে শুরু হচ্ছে সংসদের বাজেট অধিবেশন। ১ ফেব্রুয়ারি বাজেট পেশ। রাষ্ট্রপতি ভাষণের মাধ্যমেই ৩১ তারিখ থেকে শুরু বাজেট অধিবেশন। এই অধিবেশনের প্রথম দফা শেষ হবে ১১ ফেব্রুয়ারি। দ্বিতীয় দফার বাজেট অধিবেশন শুরু হবে ১৪ মার্চ। চলবে ৮ এপ্রিল অবধি।
আরও পড়ুনঃ COVID-19 in India: কিছুটা বাড়ল দৈনিক করোনা আক্রান্তের সংখ্যা, বাড়ছে মৃত্যুও
ইতিমধ্যেই করোনার তৃতীয় ঢেউকে কেন্দ্র করে সারা দেশজুড়ে উদ্বেগজনক পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। সম্প্রতি করোনা পরীক্ষা করে দেখা গেছে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন সংসদের ৪০০ এর অধিক কর্মীরা। করোনা আক্রান্ত হয়েছেন একাধিক সাংসদ। আক্রান্ত হয়েছেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং। তাই কীভাবে সংসদ পরিচালনা করা হবে? তা নিয়ে ইতিমধ্যেই প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।
মঙ্গলবার সংসদের গোটা পরিস্থিতি খতিয়ে দেখেছেন স্পিকার ওম বিড়লা। করোনার সংক্রমণ ঠেকাতে কী কী পদক্ষেপ নেওয়া যেতে পারে সেদিকেও নজর দিয়েছেন তিনি। ৬০ বছরের উর্ধ্বে যে সমস্ত সাংসদরা রয়েছে তাঁদের সংসদে উপস্থিত হওয়ার ক্ষেত্রে বিশেষ পদক্ষেপ নেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে স্পিকারের।
সংসদের অন্দরেই কোভিডের টেস্টিং থেকে শুরু করে ভ্যাকসিনেশন, পুরো প্রক্রিয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে। স্পিকারের বক্তব্য, এটা ঠিক যে সংসদের বিপুল সংখ্যক কর্মচারীরা করোনা আক্রান্ত হয়েছিলেন। কিন্তু তাঁদের মধ্যে অনেকেই এখন সুস্থ রয়েছেন, তাঁদের ওপর আলাদা করে নজর রাখা হয়েছে।
তবে চলতি বছরের বাজেট অধিবেশনে বিশেষ নজর থাকবে অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন সরকারের কোভিড পরিচালনা নিয়ে কী ঘোষণা করেন। কারণ, করোনার দ্বিতীয় ঢেউ চলাকালীন দেশে স্বাস্থ্য পরিকাঠামো জরাজীর্ণ অবস্থা প্রকাশ্যে আসতে শুরু করেছিল। হাসপাতালে অক্সিজেন এবং চিকিৎসার হাহাকার আজও জীবন্ত। তবুও করোনা থেকে কিছুটা রেহাই দিয়েছে ভ্যাকসিন। নতুন বছরের শুরুতেই বুস্টার ডোজ দেওয়া শুরু করেছে সরকার। সেইসঙ্গে ১৫ থেকে ১৮ বছর বয়সীদের ভ্যাকসিন দেওয়া শুরু হয়েছে।
৩১ তারিখ থেকে শুরু বাজেট অধিবেশন, করোনা আবহে হবে বাজেট পেশ

স্বাস্থ্য পরিকাঠামোর পাশাপাশি দেশের অর্থনৈতিক পরিকাঠামোকে চাঙ্গা করতে সরকার কী পদক্ষেপ নেয়? সেদিকেও দেখার রয়েছে। একইসঙ্গে নজর থাকবে কোভিড নিয়ন্ত্রণের জন্য প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম কেনার ক্ষেত্রে সরকার কি বিশেষ ছাড় দেবে?



